শাবিপ্রবিতে দ্বিতীয় দিনের অনশনে হাসপাতালে ৩ শিক্ষার্থী, অসুস্থ কয়েকজন

|

শাবিপ্রবিতে অনশনে শিক্ষার্থীরা।

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্যের অপসারণের একদফা দাবিতে আমরণ অনশন আজ (২০ জানুয়ারি) দ্বিতীয় দিনে গড়িয়েছে। সময় যতই গড়াচ্ছে, অনশনে থাকা শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার ততই অবনতি ঘটছে। আরও এক শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এ নিয়ে অনশন থেকে তিন শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলো। এছাড়া স্যালাইন দেয়া হচ্ছে ৯ শিক্ষার্থীকে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কয়েক দফা আলোচনার চেষ্টা চালিয়েছেন শিক্ষকরা। তবে একদফা দাবিতে অনড় থেকে শিক্ষার্থীরাও জানিয়েছে, শিক্ষকরা তাদের সাথে সংহতি প্রকাশ না করার আগে কোনো আলোচনা হবে না।

উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে বুধবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর থেকে আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছে আন্দোলনরতরা। এদের মধ্যে কিছু শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর হাসপাতালেও পাঠানো হয় দুইজনকে।

চিকিৎসক ডা. বাবলু মিয়া অনশনে থাকা বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করার কথা জানান। তিনি বলেন, একজন আগে থেকেই অ্যাজমার রোগী আছেন। তিনি বেশ অসুস্থ বোধ করছেন।

উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কয়েক দফা আলোচনার চেষ্টা চালান শিক্ষকরা। তবে আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়ে বারবারই ফিরে যান তারা। শিক্ষকরাও চান, প্রকৃত দোষীরা শাস্তির আওতায় আসুক।

তিনদফা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলতে চাইলেও সফল হননি শিক্ষকরা।

শাবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমরা কখনোই চাইনি ক্যাম্পাসে পুলিশি ঘটনা ঘটুক। আমরা চাই তদন্তের মাধ্যমে যেন এর বিচার হয়।

তবে শিক্ষকদের ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়টিকে ব্যাখ্যাও করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। একজন শিক্ষার্থী বলেন, ভিসি যখন পদত্যাগ করবেন তখনই কেবল আলোচনা হবে। তার আগে না।

আন্দোলনরত আরেক শিক্ষক যমুনা নিউজকে বলেন, শিক্ষকরা যেখানে আমাদের সাথে সংহতি প্রকাশ করতে পারেন না, তাদের সাথে আমরা কী আলোচনা করবো!

অপর এক শিক্ষার্থী বলেন, যে ভিসি বাইরে থেকে পুলিশ এনে শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংস আক্রমণে মদদ দিতে পারেন, তিনি দায়িত্বে থাকলে শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই নিরাপদ নয়।

আরও পড়ুন: শাবিপ্রবিতে আমরণ অনশনরত এক শিক্ষার্থী অসুস্থ





সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply