ফুটবল না খেললেও বছরে শতকোটি টাকা আয় করবেন মেসি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৪ পিএম
আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা জার্সিতে নিজের অবিস্মরণীয় আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি টেনেছেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা মহাতারকা লিওনেল মেসি। জাতীয় দলের হয়ে সম্ভাব্য সব শিরোপা জেতা এই মহাতারকার ঝুলিতে রয়েছে বিশ্বকাপ, টানা দুটি কোপা আমেরিকা এবং ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৮টি ব্যালন ডি’অর জয়ের অনন্য কীর্তি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বুয়েনস এইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্টালে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আলবিসেলেস্তেদের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানেন এই কিংবদন্তি। জাতীয় দল ছাড়লেও অবশ্য এখনই বুটজোড়া তুলে রাখছেন না তিনি; যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামির জার্সিতে ক্লাব ফুটবল চালিয়ে যাবেন।
তবে পেশাদার ফুটবল খেলা পুরোপুরি ছেড়ে দিলেও আয়ের দিক থেকে কোনো ভাটা পড়বে না এই আর্জেন্টাইন জাদুকরের। কারণ বিশ্বখ্যাত ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসের সঙ্গে রয়েছে তার আজীবন মেয়াদি চুক্তি। ২০১৭ সালে স্বাক্ষরিত এই ঐতিহাসিক চুক্তির বদৌলতে কোনো ম্যাচ না খেললেও ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে বার্ষিক আনুমানিক ১ কোটি থেকে আড়াই কোটি মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২০ থেকে ৩০০ কোটি টাকা) আয় করবেন তিনি।
এদিকে, ইন্টার মায়ামিতে যোগদানের পর বিশ্বজুড়ে মেসির ১০ নম্বর জার্সিটি অ্যাডিডাসের ফুটবল ক্যাটাগরিতে সর্বকালের অন্যতম সর্বাধিক বিক্রিত জার্সির রেকর্ড গড়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, নিজস্ব ব্র্যান্ডিংয়ের পণ্য ও জার্সি বিক্রির লভ্যাংশ থেকেও একটি নির্দিষ্ট অঙ্ক নিয়মিত পেয়ে থাকেন এই ফুটবল জাদুকর।
এছাড়া মাঠের ফুটবলের বাইরে লিওনেল মেসির প্রধান আয়ের উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে পেপসিকো, মাস্টারকার্ড, বাডওয়াইজার ও হার্ড রক ক্যাফের মতো বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে বহুমাত্রিক স্পনসরশিপ চুক্তি, যেখান থেকে বছরে তার আয় হয় কোটি কোটি ডলার।
এর পাশাপাশি স্পেন ও অ্যান্ডোরায় বিলাসবহুল ‘এমআইএম হোটেলস’ চেইন, রিয়েল এস্টেট কোম্পানি ‘এদিফিসিও রোস্তাওয়ার’, অ্যাপল টিভির এমএলএস সাবস্ক্রিপশন ও জার্সি বিক্রির লভ্যাংশ শেয়ার, ইন্টার মায়ামির ভবিষ্যৎ মালিকানা পাওয়ার বিশেষ চুক্তি এবং প্রযুক্তি ও স্টার্টআপে বিনিয়োগকারী নিজস্ব ভেঞ্চার ফার্ম ‘প্লে টাইম হোল্ডকো’ থেকে তিনি প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেন লিওনেল মেসি।
/এনএ