×
Logo

খেলাধুলা

ফুটবলারদের ক্যারিয়ারে বাঁক-বদলের প্রভাবক যখন বিশ্বকাপ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০৫:০৭ পিএম

ফুটবলারদের ক্যারিয়ারে বাঁক-বদলের প্রভাবক যখন বিশ্বকাপ

ফিফা বিশ্বকাপ— যা কিনা ফুটবলারদের ক্যারিয়ার বদলে দেয়ার সবচেয়ে বড় মঞ্চ। কয়েক ম্যাচের ঝলকানিতে রাতারাতি নাম না জানা খেলোয়াড়কেও বানিয়ে দেয় বিশ্বতারকা, খুলে দেয় ইউরোপের পরাশক্তি ক্লাবগুলোর দরজা।

মূলত, বিশ্বকাপের প্রতিটি আসরেই নিজেদের পারফরম্যান্সে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়ে ভাগ্য পরিবর্তন করে থাকেন বিভিন্ন দেশের ফুটবলাররা। বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে তারা পৌঁছে যা ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোতে। যার সবশেষ উদাহরণ পর্তুগালের শাভেস থেকে চিলির শীর্ষ ক্লাবে কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনিয়ার যাত্রা।

এই টুর্নামেন্টে পারফর্ম করে শীর্ষ ক্লাবে যাওয়ার ইতিহাস অবশ্য এটাই প্রথম নয়। ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে জার্মানির ২১ বছর বয়সী তরুণ মেসুত ওজিল তার দূরদর্শী পাস আর দুর্দান্ত খেলা দিয়ে নজরে আসেন ফুটবলের অভিজাতদের। বিশ্বকাপ শেষ হতেই ভার্ডার ব্রেমেন থেকে তাকে ১৫ মিলিয়ন ইউরোয় দলে ভেড়ায় রিয়াল মাদ্রিদ।

একইভাবে ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে কলম্বিয়ার গোল্ডেন বুটজয়ী হামেস রদ্রিগেজ উরুগুয়ের বিপক্ষে সেই স্মরণীয় ভলিতে পুসকাস অ্যাওয়ার্ড জেতার পাশাপাশি ৭৫ মিলিয়ন ইউরোয় পাড়ি জমান স্বপ্নের ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদে।

২০০২ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ট্রফি জয়ের অন্যতম কাণ্ডারি ছিলেন গিলবার্টো সিলভা। 'ইনভিজিবল ওয়াল' খ্যাত এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার অ্যাটলেটিকো মিনেইরো থেকে সরাসরি যোগ দিয়েছিলেন আর্সেনালে। যিনি পরবর্তীতে গানারদের ঐতিহাসিক 'ইনভিন্সিবল' স্কোয়াডের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে গণ্য হন।

২০০৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হাভিয়ের মাচেরানোর পারফরম্যান্স তাকে নিয়ে আসে ওয়েস্ট হ্যামে, যা পরবর্তীতে তার বার্সেলোনায় সফল ক্যারিয়ারের ভিত্তি গড়ে দেয়।

১৯৯৪ বিশ্বকাপে ক্যামেরুনের বিদায়ঘণ্টা বাজলেও দ্যুতি ছড়িয়ে ফ্রেঞ্চ ক্লাব লেন্স এ জায়গা করে নিয়েছিলেন প্রয়াত মার্ক-ভিভিয়েন ফোয়ে।

এনজো ফার্নান্দেজ, কেইলর নাভাস কিংবা হাঘি এই তালিকাটা বেশ দীর্ঘ। বিশ্ব ফুটবলের মেগা এই  টুর্নামেন্ট বারবার প্রমাণ করেছে, এক টুর্নামেন্টের পারফরম্যান্সই যথেষ্ট কোনো খেলোয়াড়ের জীবন ও ক্যারিয়ারের পথরেখা চিরতরে বদলে দিতে।

/এমএইচআর

Logo