৮৬ রানের লক্ষ্য দিয়েও চ্যাম্পিয়ন, টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
হালের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে চার-ছক্কার ফুলঝুড়ি আর বিশাল স্কোর খুবই স্বাভাবিক। আর তা যদি হয় কোনো টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল, তাহলে তো গল্পটা আরও একধাপ এগিয়ে। দুইশো কিংবা আড়াইশো রান শোভা পায় স্কোরবোর্ডে। সেখানে মাত্র ৮৫ রানের পুঁজি নিজেও শিরোপা জিতেছে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্স।
রোববার (২ আগস্ট) গ্লোবাল সুপার লিগের ফাইনালে সান ফ্রান্সিস্কো ইউনিকর্নসকে এমনই এক লো স্কোর থ্রিলে ৬ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গায়ানা।
এতে টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের ফাইনালে সর্বনিম্ন মোট রানের রেকর্ড বইয়ে ঢুকে গেল ম্যাচটি। এই ফরম্যাটের ফাইনালের ইতিহাসে সবচেয়ে কম রান ডিফেন্ড করে টানা দ্বিতীয় শিরোপা জিতল ক্যারিবিয়ান ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
এদিন, টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে গায়ানা। ইনিংসের নবম ওভারের আগেই ৮ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ছিল মাত্র ২৯ রান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জনসন চার্লস, শিমরন হেটমায়ার এবং আফগানিস্তানের রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও মোহাম্মদ নবীর মতো তারকা ব্যাটাররা ব্যর্থ হন।
ম্যাচের প্রথম ইনিংসে সান ফ্রান্সিসকোর পিটার সিডল দারুণ বোলিং করেন। চার ওভারে ১৮ রান দিয়ে তিনটি উইকেট নেন তিনি। তার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বড় জয়ই পেতে যাচ্ছে ইউনিকর্নস, এমনটাই মনে হচ্ছিল।
তবে শেষদিকে ডোয়েন প্রিটোরিয়াসের ১৭, ম্যাথিউ ফোর্ডের ২৮ এবং ইমরান তাহিরের ১১ রানে ভর করে ৮৫ রানের পুঁজি পায় গায়ানা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে চাপে পড়লেও ঘুরে দাঁড়ায় সান ফ্রান্সিসকো। তরুণ অস্ট্রেলিয়ান অলিভার পিকের ৩১ রানে ভর করে দলটি ভালো অবস্থানে পৌঁছে যায়। ২৮ রানে তিন উইকেট হারানোর পর স্কোর দাঁড়ায় ৫৩।
তবে সেখান থেকেই শুরু হয় নাটকীয় পতন। ৫৩ থেকে ৫৮ রানের মধ্যে পাঁচটি উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে ইউনিকর্নস। এসময় মোহাম্মদ নবী নেন তিনটি এবং ইমরান তাহির দুটি উইকেট।
শেষদিকে পিটার সিডল অপরাজিত ১৩ রান করে লড়াই চালিয়ে গেলেও অন্য প্রান্তে কোনো সঙ্গী পাননি। ফলে ৭৯ রানেই থেমে যায় সান ফ্রান্সিসকোর ইনিংস।
/এমএইচআর