পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৩:২১ এএম
ড্যালাসের মাঠে তখন নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ। স্কোরবোর্ডে তখনও ০-০। ঠিক তখনই ড্যালাসের গ্যালারি স্তব্ধ করে দিয়ে ম্যাচের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে (৯১ মিনিটে) মহাকাব্যিক এক গোল করে স্পেনকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিলেন বদলি তারকা মিকেল মেরিনো। উইঙ্গার ফেরান তোরেসের বাড়িয়ে দেওয়া এক নিখুঁত পাস থেকে বল পেয়ে পর্তুগিজ গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। আর এই গোলের সাথেই ৪১ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন এবং বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার চিরতরে শেষের কিনারায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে পর্তুগাল।
এর আগে, প্রথমার্ধের গোলশূন্য সমতার পর দ্বিতীয় আর্ধের শুরু থেকেই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলই চরম সতর্কতার সাথে খেলতে থাকে। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় পর্তুগাল শিবির। স্পেনের বিস্ময় বালক লামিন ইয়ামালকে কড়া পাহারায় রাখা পর্তুগিজ লেফট-ব্যাক নুনো মেন্দেস হ্যামস্ট্রিং বা মাংসপেশির চোট নিয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। তার পরিবর্তে মাঠে নামেন নেলসন সেমেদো। এরপর ম্যাচের ৬৮ মিনিটে প্রচণ্ড গরমের কারণে রেফারি হাইড্রেশন বিরতির ঘোষণা দেন। কিন্তু সেই বিরতির সময়ও কোনো দল ডেডলক ভাঙতে পারেনি।
হাইড্রেশন বিরতির ঠিক পর পরই পর্তুগাল শিবিরে জোড়া বদল আনেন কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয় জোয়াও ফেলিক্স ও জোয়াও কানসেলোকে, আর তাদের পরিবর্তে মাঠে নামানো হয় গতিশীল উইঙ্গার রাফায়েল লিয়াও এবং ফুলব্যাক দিয়োগো দালতকে।
পর্তুগালের এই সমস্ত রণকৌশল এবং প্রতিরোধকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে ড্যালাসের পিচে লা রোজাদের উল্লাসে মাতালেন মিকেল মেরিনো। রেফারির শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগ মুহূর্তে এই গোল হজম করে পর্তুগাল শিবিরে এখন কান্নার রোল।