দুই দশক পর বিশ্বমঞ্চে চেক প্রজাতন্ত্র, প্রতিপক্ষ সনের দক্ষিণ কোরিয়া
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৮:০৩ এএম
মেক্সিকো সিটির উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক মেক্সিকোর দুর্দান্ত জয়ের পর এবার ২০২৬ বিশ্বকাপের রোমাঞ্চ ছড়াচ্ছে গুয়াদালাহারার এস্তাদিও চিভাস স্টেডিয়ামে। গ্রুপ ‘এ’-এর দ্বিতীয় ম্যাচে আজ মুখোমুখি হচ্ছে এশিয়ার পরাশক্তি দক্ষিণ কোরিয়া এবং দীর্ঘ দুই দশক পর বিশ্বমঞ্চে ফেরা ইউরোপের দেশ চেক প্রজাতন্ত্র।
মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে এই গ্রুপে থাকা এই দুটি দলের কেউই টুর্নামেন্টের হট ফেবারিট না হলেও, তুলনামূলক সহজ গ্রুপের সমীকরণে নকআউট পর্বে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে দুই দলই। এর আগে অতীতে মাত্র তিনটি প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল তারা, যার মধ্যে দুই দলেরই জয় একটি করে এবং বাকি ম্যাচটি ড্র হয়। ফলে আজ বিশ্বমঞ্চের আসল লড়াইয়ে একে অপরকে এক চুলও ছাড় দিতে নারাজ হং মিয়ুং-বো এবং মিরোস্লাভ কৌবেকের শিষ্যরা।
দক্ষিণ কোরিয়ার কথা উঠলেই ফুটবল বিশ্বের সব চোখ আর প্রত্যাশার চাপ গিয়ে পড়ে একজন মানুষের ওপর—তিনি সন হিউং-মিন। ২০১০ সালে অভিষেকের পর থেকে কোরিয়ান ফুটবলের ধ্রুবতারা হয়ে থাকা ৩৩ বছর বয়সী এই তারকার জন্য সম্ভবত এটাই ক্যারিয়ারের ‘লাস্ট ডান্স’ বা শেষ বিশ্বকাপ।
অন্যদিকে, ২০০৬ সালের বিশ্বকাপে শেষবার যখন চেক প্রজাতন্ত্র খেলেছিল, তখন তাদের মাঝমাঠ কাঁপাতেন পাভেল নেদভেদ, তমাস রসিৎস্কির মতো বিশ্বসেরা কিংবদন্তিরা। দীর্ঘ ২০ বছর পর যখন তারা গুয়াদালাহারার মাঠে নামছে, তখন তাদের মাঝমাঠের প্রধান ভরসা ওয়েস্টহ্যাম তারকা তমাস সুচেক। গত চার বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে না পারা চেক দলটি এবার উয়েফার প্লে-অফ ম্যাচে আয়ারল্যান্ড ও ডেনমার্ককে পেনাল্টি শুটআউটে হারিয়ে ভাগ্যের জোরে মূল পর্বের টিকিট কেটেছে।
তবে কোচ মিরোস্লাভ কৌবেকের এই দলটির খেলার স্টাইল বড্ড সাধারণ কিন্তু প্রতিপক্ষের জন্য ভীষণ বিপজ্জনক। দুই প্রান্তের উইংব্যাকদের ব্যবহার করে তারা অনবরত বক্সে ক্রস বাড়াতে ওস্তাদ, যেখানে ৬ ফুট ৬ ইঞ্চির দানবীয় স্ট্রাইকার তমাস ছোরি এবং বায়ার লেভারকুসেনের পাত্রিক শিক নিজেদের উচ্চতা ও হেডিং ক্ষমতা ব্যবহার করে কোরিয়ান রক্ষণভাগকে লণ্ডভণ্ড করে দিতে পারেন।
/এএ