বিশ্বকাপ আমেজে স্বাগতিক শহরগুলোতে ঐতিহ্যবাহী খাবারের পসরা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৯:৫১ পিএম
ছবি: এআই জেনারেটেড
বিশ্বকাপ ফুটবলের মহারণ শুরু হতে আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। মেক্সিকো, কানাডা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাগতিক শহরগুলোতে এখন রীতিমতো উৎসবের আমেজ। তবে এবার শুধু ফুটবল নয়, আগত দর্শকদের মন জয় করতে হোস্ট সিটিগুলো সাজিয়েছে তাদের ঐতিহ্যবাহী খাবারের পসরা। ফুটবল রোমাঞ্চের সাথে স্থানীয় সংস্কৃতির এই মেলবন্ধন বিশ্বকাপের আয়োজনকে করে তুলেছে অনন্য।
মেক্সিকো সিটির স্ট্রিট ফুড সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ 'তাকো'। কয়লার আগুনে সেঁকা মাংস আর গরম গরম টরটিলার এই মেলবন্ধন শুধু খাবার নয়, মেক্সিকানদের জীবনযাত্রারই অংশ।
বিশ্বকাপের উত্তেজনার মাঝে বিদেশি ভক্তদের জিবের স্বাদ মেটাতে তাই এখন রাত-দিন প্রস্তুতি চলছে এখানকার ঐতিহ্যবাহী 'তাকোরিয়া' বা দোকানগুলোতে। বিশেষ করে স্থানীয় শেফ ও বিক্রেতারা মুখিয়ে আছেন বিশ্ববাসীকে তাদের শত বছরের পুরোনো এই রন্ধনশৈলীর জাদু দেখাতে।
মেক্সিকো পেরিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় চলছে শেষ মুহূর্তের কাউন্টডাউন। মাঠের লড়াইয়ের আগেই এই শহরের বাতাসে ভাসছে অন্য এক ঘ্রাণ। আর তা হলো ফিলাডেলফিয়ার সিগনেচার ডিশ- বিখ্যাত 'চিঁজস্টেক স্যান্ডউইচ'। নরম পাউরুটির ভেতর গরম গরম মিহি মাংস আর গলানো চিজের মেলবন্ধনে হাজারো ফুটবল ভক্তের ক্ষুধা মেটাতে প্রস্তুত স্থানীয় শেফরা।
পিছিয়ে নেই উৎসবের শহর মায়ামি। সেখানে ফুটবল ভক্তদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত হচ্ছে তাদের ঐতিহ্যবাহী 'কিউবান স্যান্ডউইচ'। যা মায়ামির সমৃদ্ধ লাতিন ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের এক বড় প্রতীক। বিশেষ উপায়ে তৈরি রোস্টেড মিট, হ্যাম আর চিজের এই মচমচে মেলবন্ধন এ শহরে পা রাখা যেকোনো পর্যটকের জন্য লোভনীয় এক অভিযান।
বিশ্বকাপ ফুটবল কেবল মাঠের ৯০ মিনিটের লড়াই-ই নয়, উত্তর আমেরিকার ৩ দেশের বৈচিত্র্যময় স্বাদ আর সংস্কৃতিও এবার মাতাবে বিশ্ববাসীকে। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য স্থানীয় এই রসনাবিলাস বিশ্বকাপের আনন্দকে বাড়িয়ে দেবে বহুগুণ।
/এমএইচআর