মেঘালয়-বাংলাদেশের ১৩ জেলার ডিসি ডিএম সম্মেলন কাল

|

মাহবুবুর রহমান রিপন, শিলং থেকে

ভারতের উত্তর পূর্ব রাজ্য মেঘালয় এবং বাংলাদেশের ১৩ জেলা প্রশাসক এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের দিনব্যাপী সম্মেলন কাল। মেঘালয়ের শিলং শহরের হোটেল পাইন উড এ সকাল ১০ টা থেকে শুরু হবে। বৈঠকে মেঘালয়ের সাথে সীমান্ত সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশের ৭ জেলা থেকে ৫২ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল অংশ গ্রহণ করবেন। দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে নেতৃত্ব দিবেন জামালপুর জেলার জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর।

সভায় বাংলাদেশ-ভারতের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকার নদী দূষন বন্ধ করা, যৌথ প্রচেষ্টায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সীমান্তে নিরপরাধ বাংলাদেশি হত্যা বন্ধসহ আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অবৈধভাবে চোরাচালান বন্ধ করা, গবাদিপশু ও মানব পাচার বন্ধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধ, ব্যবসায় সম্প্রসারণ, সড়ক যোগাযোগ, পর্যটন, সাহিত্যসহ দ্বি-পাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।

সম্মেলনে অংশ গ্রহণ করতে ৫২ সদস্যের প্রতিনিধি দল সকাল ১০ টায় সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সিলেটর জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম।

প্রতিনিধি দলের অন্যান্য জেলা প্রশাসকরা হলেন, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোছা: সুলতানা পারভীন, ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো: মিজানুর রহমান, নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলাম ও শেরপুরের জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব।

এছাড়া এই সাতটি জেলার পুলিশ সুপার, বিজিবি, ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটসহ সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল ভারতে প্রবেশ করেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ বাংলাদেশ-ভারত ম্যাজিস্ট্রেট ক্লাস্টার-৯-এর আওতায় এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

অপরদিকে মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তবর্তী ডিস্ট্রিক্ট জৈন্তিয়া হিলস, ইস্ট খাসি হিলস, ওয়েস্ট খাসি হিলস, ইস্ট গারো হিলস ও ওয়েস্ট গারো হিলস ডিস্ট্রিক্ট ডেপুটি কমিশনারগণ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ, পুলিশ সুপারসহ মেঘালয় রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে অংশ গ্রহণ করবেন।

বৈঠকে ইস্ট খাসি হিলস (শিলং)‘র ডেপুটি কমিশনার ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পক্ষে নেতৃত্ব দিবেন বলে জানাগেছে।

তামাবিল স্থল বন্দরে ভারতে প্রবেশের সময় সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম জানান, সম্মেলনে কি কি বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে এ বিষয়ে উভয় দেশ একটি করে তালিকা ইতিমধ্যে হস্তান্তর হয়েছে। সেখানে সীমান্ত নিরাপত্তা, সীমান্ত নদী দূষন এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ গুরত্ব পাবে বলে তিনি জানান।

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ জানান, সীমান্তের বিষয়গুলো ছাড়াও দুই দেশের এই অঞ্চলে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড কিভাবে বৃদ্ধি করা যায় সে বিষয়ে জোর দিবেন তিনি।









Leave a reply