বাফুফে’র বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও মহিলা ফুটবল দলের প্রতিবাদ সভা

|

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

জেএফএ অনুর্দ্ধ ১৪ জাতীয় মহিলা চ্যাম্পিয়নশীপে ফাইনালে উঠেও খেলায় অংশ গ্রহণ করতে না দেওয়ায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ঠাকুরগাঁও জেলা মহিলা ফুটবল দল।

রবিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও নাগরিক অধিকার আন্দোলনের ব্যানারে শহরের চৌরাস্তা মোড়ে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঘন্টাব্যাপী এই প্রতিবাদ সভায় ঠাকুরগাঁও রাঙ্গাটুঙ্গির নারী ফুটবল দলের সদস্য,খেলোয়াড় ,সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, অন্যায় ভাবে বাফুফে ঠাকুরগাঁওয়ের নারী খেলোয়ারদের তাদের প্রাপ্য খেলা থেকে বঞ্চিত করেছে। এমন পক্ষপাতিত্বে ঠাকুরগাঁও জেলার সন্মানকে ক্ষুন্ন করা হয়েছে। সেই সাথে খেলোয়ারদের সাথে তারা অসন্মানজনক আচরণ করেছে, যা কোনভাবেই মেনে নেয়ার মতো নয়। তাই দ্রুত ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতির অপসারণ ও সেই সাথে এমন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আবেদন জানান বক্তারা।

পরে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রিড়া সংস্থার সভাপতি ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিমের কাছে একটি স্বারকলিপি দেন তারা। ঠাকুরগাঁও ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সাধারণ সম্পদক হেলাল বলেন, ঠাকুরগাঁও দলে নাকি ৪ জন অবৈধ খেলোয়াড় খেলেছে এমন অভিযোগে গত শুক্রবার ঠাকুরগাঁও দলকে অন্যায় ভাবে খেলতে দেয়নি বাফুফে। যদি দলে অবৈধ খেলোয়ার থেকে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে শুরুতেই পদক্ষেপ নেয়া উচিত ছিলো বাফুফের। এটি একটি ষড়যন্ত্র, যা কোন ভাবে মেনে নেয়া যায়না।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক কামরুজ্জামান সেলিম জানান, এবিষয়ে ক্রিড়া মন্ত্রনালয়ের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এতে বক্তব্য দেন, অনূর্ধ্ব ১৪ ঠাকুরগাঁও মহিলা দলের খেলোয়াড় লাবন্য রায়, রঞ্জনা, নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সভাপতি আতাউর রহমান, সুশাসনের জন্য নাগরিক(সুজন) এর সভাপতি প্রফেসর মনতোষ কুমার, সাবেক জেলা ক্রিড়া কর্মকর্তা ও কালের কন্ঠ শুভ সংঘের সভাপতি আবু মহি উদ্দীন, ঠাকুরগাঁও ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সাধারণ সম্পদক হেলাল , প্রবীন খেলোয়ার শীব প্রসাদ নিয়োগী, কালু দাস , সুমন ঘোষ প্রমুখ।

এর আগে গত শুক্রবার জেএফএ অনুর্ধ ১৪ জাতীয় মহিলা চ্যাম্পিয়নশীপের ফাইনালা খেলায় অংশ নেওয়ার কথা ছিলো ঠাকুরগাঁও জেলা দলের। কিন্তু ফাইনাল খেলার দেড় ঘন্টা আগে অবৈধ খেলোয়াড় থাকার অভিযোগে বাফুফে ঠাকুরগাঁও দলকে ফাইনাল খেলায় অংশ নিতে দেয়নি। এতে হতাশা আর ক্ষোভ নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে ফিরে আসেন এই খেলোয়াড়রা।









Leave a reply