ফেসবুকে হাসির খোরাক শিবির সভাপতির পিএইচডি থিসিস!

|

বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের সভাপতি ড. মোবারক হোসাইনের পিএইচডি থিসিসে আপত্তিকর শব্দের ব্যবহার, উইকিপিডিয়া থেকে সরাসরি কপি-পেস্ট করা এবং ইংরেজি ভুল শব্দ ও বাক্যের ব্যবহার নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হাস্যরস চলছে।

এহসানুল ইসলাম নামে ব্রিটেনে অধ্যয়নরত একজন বাংলাদেশি ছাত্র তার ফেসবুক নোটে গতকাল বৃহস্পতিবার শিবির সভাপতির পিএইচডি থিসিসে পাওয়া নানান অসঙ্গতি তুলে ধরেন। তাতে দেখা যায়, থিসিসের এক জায়গায় মিশরের ইসলামি আন্দোলনের নেতা হাসান আল বান্নার নাম লিখতে গিয়ে লেখা হয়েছে ‌’প্রফেট আল বান্না’।

আরো দুই জায়গায় দুইজন হাদিস বর্ণনাকারীর নাম লিখতে গিয়ে হাস্যকর ভুল করেছেন গবেষক। “Ubaidullah Bin Ma’mar” এর নাম লিখেছেন “Ubaidullah container Ma’mar” আর “Abdullah Bin Amir” এর নাম লিখেছেন “Abdullah container Amir”. আরবী Bin শব্দের অর্থ ছেলে। “Ubaidullah Bin Ma’mar” এর অর্থ হলো, মা’রের ছেলে উবায়দুল্লাহ। কিন্তু এখানকার আরবী শব্দ Bin-কে ইংরেজি Bin বা container (ঝুড়ি/পাত্র) হিসেবে ব্যবহার করেছেন শিবির সভাপতি!

থিসিস পেপারটির অন্যান্য অনেক হাস্যকর ভুল নিয়েও ট্রল করছেন অনেকে। “ছাত্রশিবির সভাপতির ‘পিএইচডি থিসিস’ এবং ডিগ্রী প্রীতি” শিরোনামে প্রকাশ করা এহসানুল ইসলামের নোটটি হুবহু এখানে তুলে ধরা হলো–

//

“খ্যাতনামা ব্যক্তি, বিশেষত ইসলামিক স্কলারদের লেখনী ও বক্তব্য খুঁজে বেড়ানো আমার একটি নিয়মিত অভ্যাস। ছয়-সাতেরও বেশি বছর আগ থেকে আমি এমনটি করে আসছি। আমার ঝোঁক গবেষণাধর্মী লেখার প্রতি। এ পর্যন্ত আমি ডজন ডজন পিএইচডি থিসিস এবং শত শত গবেষণা নিবন্ধের সাথে পরিচিত হয়েছি। কিছু কিছু পড়ে শেষ করেছি এবং বাকিগুলো সংগ্রহে রেখেছি। এতসব গবেষণা কর্মের ব্যাপারে ধারণা থাকার ফলে, আমি যখন নতুন কোন বিষয় অধ্যয়ন শুরু করি, তখন কার্যকর পাঠ্যতালিকা প্রস্তুত করা আমার জন্য অনেকাংশে সহজ হয়।

২০১৮’র সেপ্টেম্বরে ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সেক্রেটারী মোঃ মোবারক হোসাইন এর প্রোফাইল চোখে পড়ে। তিনি একজন পিএইচডি ডিগ্রীধারী এবং তার গবেষণার বিষয় লিডারশীপ ম্যানেজমেন্ট। তিনি ইসলামী ও সাধারণ- উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি স্টাডি করেন। আমি তার গবেষণা কর্মের সন্ধান করতে লাগলাম। বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত International Journal of Ethics in Social Sciences নামক জার্নালে তার একটি প্রবন্ধ পেয়ে গেলাম। টাইটেল হল- Leadership Pattern: A Comparative Study Between Conventional and Islamic Perspective.

পড়া শুরু করলাম। কিন্তু লেখার মান ও ধরণ কোনটিই আমার পছন্দ হলো না। যেমন- তিনি লিখেছেন, “Leadership in Islam is rooted in belief and willing submission to the creator, allah. It centers on serving him. The primary tasks of leaders are to do good deeds and to work toward the establishment of Allah’s Din. (anbiyaa, 21:73) …Often, leaders have to endure tremendous hardships: vilification, prison, exile, harsh words, and in some cases execution. For example, maudoodi, Syed Qutub, and Muhammad Ali…” (পৃ. ৭)

এটি যদি ছাত্রশিবির কর্তৃক প্রকাশিত কোন পত্রিকায় ছাপা হত, তাহলে আমার কোন কথা থাকত না। কিন্তু একটি জার্নালের নিবন্ধ তো এমন হওয়ার কথা না! অস্ট্রেলিয়ার আ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটিতে ম্যানেজমেন্টে পিএইচডি গবেষণারত, আমার বড় ভাইয়ের কাছে আমি প্রশ্ন রাখলাম-

#জার্নালের আর্টিকেলে কি এমন সিলি ভুল থাকতে পারে; যেমন- আল্লাহর অথবা মানুষের নামের প্রথম অক্ষর ছোট হাতের?

#সূরা আম্বিয়ার ৭৩ নম্বর আয়াত হল, “আমি তাঁদেরকে নেতা করলাম। তাঁরা আমার নির্দেশ অনুসারে পথ প্রদর্শন করতেন। আমি তাঁদের প্রতি ওহী নাযিল করলাম সৎকর্ম করার, নামায কায়েম করার এবং যাকাত দান করার। তাঁরা আমার এবাদতে ব্যাপৃত ছিল।” অথচ এই আয়াতের রেফারেন্স দিয়ে উল্লেখ করা হল দ্বীন প্রতিষ্ঠার কথা যেটা কিনা ছাত্রশিবিরের রাজনৈতিক দর্শনের অংশ। এটা কি যথার্থ?

#এমনসব বাস্তবতা ও উদাহরণ টানা হল যা লেখকের দলীয় পাঠ্যসামগ্রীর সীমা অতিক্রম করল না। গবেষণা নিবন্ধ কি এমন অগভীর (superficial) হয়?

আমার ভাই এসব প্রশ্নের উত্তরে কি বলেছিলেন, তা স্মরণে নেই। তবে এটি মনে আছে যে, আমি ছাত্রশিবির সেক্রেটারীর পিএইচডি থিসিসটি পড়তে আগ্রহী হয়ে উঠেছিলাম। উপরে উল্লেখিত রিসার্চ পেপারটির ফুটার থেকে ইমেইল ঠিকানা সংগ্রহ করে মোবারক হোসাইন বরাবর মেইল লিখি। পিএইচডি থিসিসটি আমাকে পাঠানোর অনুরোধ করি। কিন্তু তিনি কখনো সে ই-মেইলের জবাব দেননি।

এদিকে, খুঁজাখুঁজি করার এক পর্যায়ে আমি থিসিসটি পেয়ে যাই। Shodhganga নামক ওয়েবসাইটে দুই লক্ষেরও বেশি ইন্ডিয়ান থিসিসের সমাহার। Shodhganga ভারতের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (UGC)- এর সাথে সম্পর্কিত। সেখানেই মিলল মোবারক হোসাইনের গবেষণা কর্ম। Shodhganga’র ফরমেট মোতাবেক প্রতি অধ্যায়ের জন্য আলাদা আলাদা পি ডি এফ। কয়েকটি ডাউনলোড করলাম।

একটি ওপেন করে প্রথম কয়েক প্যারা পড়লাম। এরপর র‌্যানডমলি এক পৃষ্ঠায় চোখ রাখলাম। সেখানে লেখা- “It is indicated in the above table that the married respondent of the Islamic organization (84%) is lower than the conventional organization (86%).On the other hand, the unmarried respondents of the Islamic organization (16%) are greater than the conventional organization (14%).”

আমি মনে মনে ভাবলাম- দ্বিতীয় বাক্যটি লেখার কি এমন দরকার ছিল? শুধু শুধু শব্দ বাড়ানো! পরের বাক্য পড়তে লাগলাম- “The findings, therefore, indicate that mainstream of the unmarried in Islamic organization is unmarried whereas mainstream of the married in the conventional organization is married.” (16_chapter 7.pdf পৃ. ২)

কিছুই বুঝলাম না- কি বলতে চাইল? আরেক পেজে চোখ রাখলাম…

“12. Education: There are many people in Bangladesh those are not qualified to become a leader but lots of people in our country those who are a leader and who lead any jobs.
13. Gender, Sex, Religion: Depending on area or sector these factors play a vital role. Organization for this some potential candidate always fails in our national election.” (15_chapter 6.pdf পৃ. ৫৩)

এরককম কিছু পড়ে আমার নিজের উপরই সন্দেহ জাগল। আচ্ছা, আমি ইংরেজী পড়তে পারি তো? Shodhganga থেকে আরেকটি থিসিস ডাউনলোড করলাম। সেটি ছিল আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি থিসিস। একটু পড়লাম সেখান থেকে। এটি তো ঠিকই পড়তে পারছি!

মোবারক হোসাইনের থিসিসের আরো কিছু অংশ পড়লাম। আমার মনে আর সন্দেহ রইলনা যে, এই থিসিসে ভয়াবহ সমস্যা বিদ্যমান। হাজার হাজার বাক্য অথবা বাক্যাংশ এমন পাওয়া যাবে যা কোন বোধ্যগম্য অর্থ বহন করেনা। আমার মনে হল- শিক্ষার নামে জালিয়াতির এই ব্যাপারে লেখা দরকার।

কিন্তু পি এইচ ডি থিসিস বলে কথা! আমার পক্ষে কি এর সমালোচনা শোভা পায়? আমি ভাবলাম দুই-তিনজন প্রফেসরের সাথে ব্যাপারটি শেয়ার করে তাদের পর্যালোচনার আলোকে একটি প্রতিবেদন তৈরি করব। সেই ভাবনাই মাথায় ছিল। ব্যাপারটি নিয়ে এরপর আর ঘাটাঘাটি করিনি।

অবশেষে দশ মাস পর, ৮ জুলাই ২০১৯ তারিখে খবর পেলাম ছাত্রশিবিরের বর্তমান সভাপতি মোবারক হোসাইন দাওরায়ে হাদীস ডিগ্রী অর্জন করেছেন। আবার ডিগ্রী! আমার তার পিএইচডি থিসিসের কথা মনে পড়ে গেল। আবার কিছু কিছু অংশ পড়লাম। আমি চিন্তা করলাম- এই থিসিসের একাডেমিক মান কোন পর্যায়ের এবং রিসার্চ ম্যাথোডলজি ঠিক আছে কিনা ইত্যাদি বিষয়ে কথা বলতে হয়ত আমি উপযুক্ত নই- কিন্তু একেবারে ক্লিয়ারকাট রাইটিং মিসটেকগুলোর ব্যাপারে তো আলোকপাত করাই যায়।
এই থিসিসের বিভিন্ন অংশে চোখ বুলিয়ে আমার যা মনে হয়েছে, তা হল- লেখক নিশ্চিত ছিলেন যে, তিনি যাই লেখেন না কেন, কোন রকমে কয়েক’শ পৃষ্ঠা ভরতে পারলেই ডক্টরেট ডিগ্রী। এমন লেখনী পিএইচডি থিসিসে কেন, ম্যাট্রিক পরীক্ষার খাতায়ও যদি কেউ লেখার দুঃসাহস দেখাত, তাহলে তা পরিক্ষার্থী ও পরীক্ষকের মধ্যকার অসাধু আঁতাতেরই ইঙ্গিত বহন করত।

যেহেতু লেখায় তিনি নূন্যতম সিরিয়াসনেসটুকুও প্রদর্শন করেননি, তাই তার লেখায় এমন কিছু বেরিয়ে আসা স্বাভাবিক যা অর্থকে কেবল পরিবর্তনই করে দেয়না, বরং আপত্তিকর বার্তাও বহন করে বসে। যেমন, তিনি লিখছেন–

“Sheik Hassan Ahmed Abdel Rah Prophet Al-Banna alluded to as Hassan Al-Banna (14 Oct 1906 – twelve February 1949) was a workforce teacher and most prestigious Pioneer, finest noted for a beginner the Muslim Brotherhood one in all the most critical and most huge twentieth-century Muslim evangelist associations”. (14_chapter 5.pdf পৃ. ৪৬)

ক্লিয়ারলি বোঝা যায়, এই প্যারাগ্রাফটি হাসান আল বান্নার উইকিপিডিয়া পেজের প্রথম প্যারাগ্রাফের কপি বিশেষ। মোবারক হোসাইন কেবল কিছু শব্দ পরিবর্তনের চেষ্টা করেছেন এবং তা করতে গিয়েও ভুল করে ফেলেছেন। একটি ভুল অত্যন্ত ভয়াবহ পর্যায়ের। তিনি লিখেছেন Abdel Rah Prophet Al-Banna, কিন্তু আসলে হবে Abdel Rahman Muhammed al-Banna.

আরেক জায়গায় লিখছেন–

“To smash this insubordination, Hazrat Uthman (R.A.) named Hazrat Ubaidullah container Ma’mar, notwithstanding, he was not effective and martyred in an exceeding fight. At that point, Hazrat Uthman asked ‘Abdullah container ‘Amir, the as of late selected senator to adapt to the radicals.” (14_chapter 5.pdf পৃ. ২৩)

এখানে তিনি দু’টি নাম উল্লেখ করেছেন- Ubaidullah container Ma’mar এবং ‘Abdullah container ‘Amir. বোঝাই যায়, container এর জায়গায় হবে bin. তাহলে তিনি কেন container লিখলেন? সম্ভবত, তিনি লেখাটুকু কোন জায়গা থেকে কপি করে- plagiarism এড়াতে- কোন কোন শব্দ পরিবর্তন করে সেখানে তার প্রতিশব্দ বসিয়েছেন। কিন্তু তা করতে গিয়ে তিনি নামের bin কেও container বানিয়ে ফেলেছেন।

মোবারক হোসাইনের থিসিসের দিকে দৃষ্টি দিলে এটাও অনুধাবন করা যায় যে, তিনি ইংরেজী টেক্সট থেকে সরাসরি কপি না করে, সম্ভবত, অন্য ভাষার টেক্সট ইংরেজীতে গুগল অনুবাদ করে তা কপি করেছেন।

আরেকটা ব্যাপার উপলব্ধি করা যায় যে, তিনি নিজস্ব তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে না লিখে অন্যের তথ্য কপি করে নিজের আঙ্গিকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। এবং তা করতে গিয়েও তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন। যেমন–

“There are some prospects of leadership in Bangladesh which are given below
1. Shortage of educated leadership: In the Asian nation, we have shortage of correct Educated sensible leadership. People who lead the North American nation (politically) most of them do not seem to be well educated.” (15_chapter 6.pdf পৃ. ৫১-২)

এই থিসিসের পিছনে আমি মাত্র কয়েক ঘন্টা সময় ব্যয় করেছি। তাতেই শত শত অসঙ্গতি আমার চোখের সামনে ধরা দিয়েছে। কেউ যদি এটির চুলচেরা বিশ্লেষণে হাত দেয়, তাহলে কত সহস্র ভুল বের হয়ে আসবে- তা আমার কল্পনার বাইরে।
মহান আল্লাহ রাব্বুল ‘আলামিন আমাদেরকে সততা, আত্মবিশ্বাস ও মর্যাদার সাথে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুক। নাম-খ্যাতি তথা ডিগ্রী-ঐশ্বর্য্যের ফিতনা থেকে তিনি আমাদের রক্ষা করুক। আমিন!

এ্যাপেনডিক্স ১:

মোবারক হোসাইনকে পিএইচডি ডিগ্রী দানকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

Shri Jagdishprasad Jhabarmal Tibrewala University (SJJT): বিশ্বের সকল উইনিভার্সিটির র‌্যাংকিং প্রকাশকারী ওয়েবসাইট 4icu.org এর র‌্যাংকিং- এ SJJT’র অবস্থান ১০১৭৯। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ৭৮ টি ইউনিভার্সিটি এর চেয়ে ভাল অবস্থানে রয়েছে। SJJT ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৯ সালে। এটি একটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি। অলরেডি অনেকেই এখান থেকে পিএইচডি অর্জন করেছেন। পিএইচডি সম্পন্ন করতে সময় লাগে তিন বছর, খরচ ১.২৯ লাখ রুপি।

ইন্টারনেটে এই বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায় না। উইকিপিডিয়ায় এর সম্পর্কে মাত্র কয়েক লাইন লেখা আছে। অফিসিয়াল ফেইসবুক পেজে এর ফলোয়ার হাজের খানেক, অফিসিয়াল লিংকড ইন পেইজ অচল। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর দু’টি প্রতিবেদন পাওয়া যায় টাইমস অফ ইন্ডিয়া পত্রিকার ওয়েবসাইটে।

এক প্রতিবেদনে পত্রিকাটি SJJTসহ কাছাকাছি সময়ে প্রতিষ্ঠিত এবং কাছাকাছি র‌্যাংকিংধারী রাজস্থানের আরো তিনটি ইউনিভার্সিটিতে ‘পিএইচডি স্টুডেন্ট জোয়ার’ বিষয়ে খবর প্রকাশ করে। রাজ্য সরকার পরিচালিত এক অনুসন্ধানে এসকল ইউনিভার্সিটি কর্তৃক UGC ও সরকারের নীতিমালা ভঙ্গ করে পিএইচডি ডিগ্রী প্রদানের তথ্য বেরিয়ে আসে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এসকল ইউনিভার্সিটি এমন সব বিষয়ে পিএইচডি অফার করছে যা তাদের কারিকুলামেই নেই। ১০৪৪০ র‌্যাংকধারী শ্রীধর ইউনিভার্সিটির ব্যাপারে জানা যায়- সেখানে একজন প্রফেসরও নেই, এ্যাসোসিয়েট প্রফেসরও নেই; পিএইচডি প্রোগ্রাম চালানোর মত কোন রিসোর্সই নেই।

২০১৩ সালে অন্য এক প্রতিবেদনে পত্রিকাটি ২৬ টি ভূয়া ইউনিভার্সিটির ব্যাপারে তথ্য দেয় যাদের পিএইচডি এবং এমফিল ডিগ্রীকে অবৈধ ঘোষণা করেছে Dr Babasaheb Ambedkar Marathwada University. SJJT তার একটি।

এ্যাপেনডিক্স ২:

মোবারক হোসাইনের ডিগ্রীসম্ভার ও সাংগঠনিক দায়িত্বভার:

মোবারক হোসাইন ২০০৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি বি এ পাশ করেন। এরপর ২০১২ সালে নর্দান ইউনিভার্সিটি থেকে এম বি এ সম্পন্ন করেন। ২০১৪-১৫ সেশনে ভারতের রাজস্থানের একটি ইউনিভার্সিটিতে পি এইচ ডি শুরু করেন। শেষ হয় ২০১৭ সালে। এর ফাঁকে সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে এল এল বি পাশ করেন। ICMAB তে CMA’র প্রথম সেমিষ্টার শেষ করেন। সর্বশেষ জুলাই ২০১৯ এ তিনি দাওরায়ে হাদীস ডিগ্রী লাভ করেন।[1] [2]

এতসব ডিগ্রী অর্জনের পাশাপাশি, এই সময়ে, রাজনৈতিকভাবে তিনি যেসব দায়িত্ব পালন করছিলেন তা হল- ছাত্রশিবিরের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি, কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক, কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক, কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় সভাপতি।”









Leave a reply