নটিংহ্যামে ‘রবিন হুডের’ সাথে

|

যেমন সুদর্শন, তেমনি সাহসী ও লম্বা এক পুরষ। মাথায় ঝাঁকড়া চুল, ফ্রেঞ্চ কাট দাঁড়ি। পিঠে ধনুক আর কোমরে তরবারি নিয়ে ঘোড়ায় চড়ে ঘুরে বেড়ান তামাম দুনিয়া। ধনুক আর তলোয়ারে চালাতে অস্তাত। যখনই যেখানে বিপত্তির খবর পান বিদ্যুৎ বেগে ছুটে যান। অত্যাচারী ধনীদের কাছ থেকে সম্পদ ছিনিয়ে নিয়ে তিনি বিলিয়ে দিতেন গরীবের মাঝে।

শৈশবে কত শতবার তার মত হওয়ার স্বপ্ন উঁকি দিয়েছে। শৈশবের সেই সুপার হিরোর সঙ্গে দেখা হয়ে গেল নটিংহ্যামে। বলছিলাম রবিন হুডের কথা। তবে এই দেখা টা পাথুরে মূর্তির সাথে। তীর ছুঁড়তে উদ্যত রবিন হুডের ভাস্কর্য। মধ্যযুগের শেষ ভাগে নটিংহ্যামের শেরউডের জঙ্গলে ছিল তার সগর্ব বিচরণ। এখানে বার, পাব, রেস্তোরাঁ, রাস্তা, বাড়ি, হোটেলসহ নানা কিছুর নামের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে কিংবদন্তি এই চরিত্রের নাম।

টিভি পর্দার মত এখানেও তার সঙ্গি হয়েছেন লিটল জন, ফ্রেয়ার টাক, অ্যালান অ্যা ডেইল ও উইল স্কারলেট। ডিজাইনার রবিনহুডের সাগিরেদদের তাদের প্রিয় দলনেতার সঙ্গ থেকে বঞ্চিত করেননি। তবে রবিন হুড বলে সত্যিই কেউ ছিলেন? এ নিয়ে যুগে যুগে গবেষণা হয়েছে বিস্তর। ইতিহাসবিদদের গবেষণায় নিশ্চিত কিছু মেলেনি। তাকে নিয়ে সবচেয়ে পুরোনো যে গাঁথার সন্ধান মেলে, সেটি সেই ১৪০০ সালের।

ইংলিশ লোক সাহিত্যের বিখ্যাত চরিত্র রবিন হুডের মূর্তিটি গবেষণার জন্য সমৃদ্ধ এক ভান্ডার। এখানে এলে কল্পনার রবিন হুডকে নিয়ে গবেষকদের নানা জিজ্ঞাসার জবাব মেলে আর সেই সাথে মেটে কৌতূহলী দর্শনার্থীদের মনের খোরাক।









Leave a reply