যেভাবে টাইপিস্ট থেকে জিম্বাবুয়ের ফার্স্টলেডি

|

চাপের মুখে গতকাল মঙ্গলবার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবে। কিন্তু দেশটিতে এমন অনেকেই আছেন যাদের ক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দুতে আসলে রবার্ট মুগাবে নন, বরং তার দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেস মুগাবে। সদ্য সাবেক হওয়া এই ফার্স্ট লেডিকেই নিজের জায়গায় অর্থাৎ জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট বানানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন রবার্ট মুগাবে। খবর: বিবিসি বাংলার।

৯৩ বছর বয়সী মুগাবের চেয়ে বয়সে ৪১ বছরের ছোট গ্রেসকে তিনি বিয়ে করেছিলেন ১৯৯৬ সালে।

পরে সময়ের পরিক্রমায় তিনি উঠে আসেন জিম্বাবুয়ের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে এবং নিজেও লড়াইয়ে নেমেছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট এমারসন মানাঙ্গাগওয়ার সাথে।

যার ফলশ্রুতিতে শেষ পর্যন্ত মিস্টার মানাঙ্গাগওয়াকে বরখাস্ত করেন প্রেসিডেন্ট মুগাবে আর সেটিই শেষ পর্যন্ত তাকে পদত্যাগে বাধ্য করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে।

৯৩ বছর বয়সী রবার্ট মুগাবের স্ত্রী গ্রেস মুগাবের বয়স এখন ৫২। কিন্তু কে এই গ্রেস মুগাবে? কি করে তিনি জিম্বাবুয়ের ক্ষমতার লড়াইয়ের অন্যতম চরিত্রে পরিণত হলেন?

# ৪১ বছরের বড় রবার্ট মুগাবের সাথে যখন প্রেম শুরু করেন তখন তিনি মূলত স্টেট হাউজের একজন টাইপিস্ট।

# মুগাবে তখন বিবাহিত ছিলেন যদিও তার স্ত্রী স্যালি তখন অসুস্থ ছিলেন এবং পরে ১৯৯২ সালে মারা যান।

# ১৯৯৬ সালে ঝাঁকঝমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রেসকে বিয়ে করেন মুগাবে।

# মুগাবে ও গ্রেস দম্পতির তিন সন্তান রয়েছে।

# বিলাসবহুল জীবনযাপনের জন্য তিনি সমালোচিত।

# ২০১৪ সালে ক্ষমতাসীন জানু পি-এফ পার্টির মহিলা শাখার প্রধান করা হয়।

# ডিসেম্বরে তাকে ভাইস প্রেসিডেন্ট করার কথা শোনা যাচ্ছিলো। ২০১৭ সালে একজন মডেলকে নিগ্রহ করার ঘটনায় অভিযুক্ত হন।

# ইউনিভার্সিটি অফ জিম্বাবুয়ে থেকে সমাজবিজ্ঞানে তার পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন নিয়েও রয়েছে বিতর্ক।

#বিলাসবহুল শপিংয়ের জন্য ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছিলো তার। জিম্বাবুয়ের ধনাঢ্য এলাকাগুলোতে তার ব্যাপক সম্পদ রয়েছে।

# রবার্ট মুগাবের মতো গ্রেস মুগাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে এখন রবার্ট মুগাবের পদত্যাগের ঘোষণার পর গ্রেস মুগাবের ভবিষ্যৎ কি হয় সেদিকেও দৃষ্টি রয়েছে অনেকের।









Leave a reply