ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

|

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় জেলা শহরের সুর সম্রাট  ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যম নামে এ সংগঠন এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমে উপদেষ্টা অমিত মোদকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক শিক্ষক কবি মারুফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কবি ও গবেষক মুহাম্মদ মুসা, আইডিয়াল রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সোপানুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সহসভাপতি মো. মফিজুর রহমান লিমন, দৈনিক যুগান্তর ও যমুনা টেলিভিশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি মো. শফিকুল ইসলাম ও দৈনিক প্রথম আলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি শাহাদৎ হোসেন।

অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যমের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মো. খান বিটু।

অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেন, জীবনে স্বপ্ন দেখতে হবে। সেই স্বপ্নকে সত্যি করতে হলে পরিশ্রম করতে হবে। স্বপ্নের অর্থ জীবনকে বুঝতে পারা। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তরা বলেন, জীবনে মা-বাবার গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে। মা-বাবাকে মূল্যায়ন করতে হবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে বক্তারা আরও বলেন, বাবা-মা ও শিক্ষকরা তোমাদের ১৬ বছর পর্যন্ত পড়াশুনা উপযোগী করে তুলেছে। কেননা গাড়ি চালানো লাইসেন্স পাওয়া মানে গাড়ি চালানো শেষ নয়। সবেমাত্র শুরু। মনে রাখতে হবে, শিক্ষা জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সবচেয়ে বিপজ্জনক সময় হলো একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি। এই দুটি বছর জীবনের শেষ পর্যায় পর্যন্ত ভূমিকা রাখে। তাই দুটি বছরকে অত্যন্ত যত্মসহকারে কাজে লাগাতে হবে।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিশু নাট্যম সূত্রে জানা গেছে, পিএসসির ১৪৫ জন, জেএসসির ৭০ ও এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৮২জন কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের একটি করে ক্রেস্ট ও সনদ দেওয়া হয়েছে।









Leave a reply