রমজানে প্রতিকেজি গরুর মাংস ৫২৫ টাকা, খাসি ৭৫০

|

রোজায় রাজধানীতে প্রতিকেজি দেশি গরুর গোশতের সর্বোচ্চ দাম ৫২৫ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। প্রথম রোজা থেকে ২৬ রমজান পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এ মূল্য। যদিও আগে থেকেই সাড়ে পাঁচশ টাকায় বিক্রি হচ্ছে গরুর গোশত।

সোমবার দুপুরে নগর ভবনে মাংস ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতেই আলোচনা সভায় এ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানান মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।

এতে ঢাকা মহানগর মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন সুপারশপের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় এছাড়াও বোল্ডার গরুর মাংস প্রতিকেজি ৫০০ টাকা, মহিষের মাংস ৪৮০ টাকা, খাসির মাংস সাড়ে সাতশ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর প্রতিকেজি ভেড়ার মাংসের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে ছয়শ টাকা।

এর আগের বছর রোজায় দেশি মাংসের দাম ছিল সাড়ে চারশ টাকা। সেই হিসেবে গতবারের চেয়ে কেজিতে ৭৫ টাকা দাম বেড়েছে এ বছর।

এর চেয়ে বেশি দাম রাখা হলে শাস্তি দেয়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন মেয়র সাঈদ খোকন।

তিনি বলেন, আজকের এই সিদ্ধান্ত আপনারা মেনে চলবেন। কেউ যদি এর চেয়ে বেশি দাম রাখেন, তাহলে সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে। নির্ধারিত এই দামে সুপারশপেও মাংস বিক্রি করা হবে।

গাবতলী হাটের ইজারাদার কয়েকগুণ বেশি খাজনা আদায় করায় মাংসের দাম বেড়ে যায় বলে সভায় মত দিয়েছেন বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম।

তিনি বলেন, ১০০ টাকার খাজনা এক হাজার টাকাও রাখা হচ্ছে। এ কারণে মাংসের দাম বেড়ে যায়। ফলে সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত দামে মাংস বিক্রি করা কঠিন হয়ে যায়।

কাজেই এ বিষয়ে নজর দিলে মাংসের দাম কম রাখা সম্ভব বলে জানালেন রবিউল আলম।









Leave a reply