শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ, বাড়তি ভাড়া আদায়

|

স্টাফ রিপোর্টার, মাদারীপুর
ঘূর্নিঝড় ফণির প্রভাবে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি রুটে লঞ্চ বন্ধ থাকলেও রুটটির বেশকিছু স্পীডবোট নিষেধাজ্ঞা না মেনে ঝূকি নিয়ে চলাচল করছে। যাত্রী চাপের সুযোগে কাঠালবাড়ির ফেরি যাত্রীদের কাছ থেকে যাত্রী প্রতি ৫ টাকা করে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
সরেজমিনে জানা যায়, ঘূর্নিঝড় ফণির প্রভাবে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে বার টা থেকে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি রুটে লঞ্চ ও স্পীডবোট চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে বিআইডব্লিউটিএ । লঞ্চ চলাচল সম্পূর্ন বন্ধ থাকলেও শিমুলিয়া পার থেকে স্পীডবোট চলাচল করতে দেখা যায়। লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় রুটটির ফেরিগুলোতে যাত্রীদের বাড়তি চাপ পড়ে। সুযোগ বুঝে ফেরির ইজারাদারের লোকজনেরা ২৫ টাকার ভাড়া ৩০ টাকা করে আদায় করছে। বাড়তি ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানালে অনেকের সাথেই বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ছে ইজারাদারের লোকজনেরা। নৌ চলাচলে অচলাবস্থা সৃষ্টির কারণে যাত্রী দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। ঘাট এলাকায় যানবাহনের সাড়ি দীর্ঘ হচ্ছে।

বরিশাল থেকে ঢাকাগামী যাত্রী ইমরান হোসেন বলেন, এ ঘাট থেকে লঞ্চ ও স্পীডবোট বন্ধ থাকায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। শিমুলিয়া থেকে আসা স্পীডবোটগুলো আপনাদের (সাংবাদিক) দেখে নিতে চায় না।
আরেক যাত্রী নিরব হাসান বলেন, সুযোগ বুঝে ফেরির ইজারাদারের লোকজন ২৫ টাকার ভাড়া ৩০ টাকা নিচ্ছে। কারণ জানতে চাইলে খারাপ ব্যবহার করলো।

ভাড়া বৃদ্ধিও ব্যাপারে জানতে চাইলে ফেরি ইজারাদার পক্ষের ইমান খান বলেন, আমরা ২৫ টাকাই ভাড়া নিচ্ছি। আমাদের যারা ভাড়া কাটছে তাদের কাছে ভাংতি না থাকলে হতো ২/১ জনের বেশি নেয়া হচ্ছে। আমি বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

বিআইডব্লিউটিএর টার্মিনাল ইনস্পেকটর আক্তার হোসেন বলেন,ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশমতে লঞ্চ ও স্পীডবোট বন্ধ রাখা হয়েছে। ওপাড় থেকে যে স্পীডবোটগুলো আসছে তাদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করা হচ্ছে।


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply