ছাত্রকে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর পুরস্কারের টাকা আত্মসাৎ করলেন প্রধান শিক্ষক!

|

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০১৮ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী আব্দুল মোমিন (১১) এর কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া চেক ও উপজেলা-জেলা-বিভাগীয় পর্যায়ে প্রাপ্ত প্রাইজমানি নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন কলারোয়া উপজেলার ১২০নং কোমরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম ও সভাপতি মুনছুর আলী।

মঙ্গলবার আব্দুল মোমিনের পিতা আনছার আলী টাকা আত্মসাতের বিষয়টি জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে অভিযোগ জানান।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, আব্দুল মোমিন ২০১৮ সালের আন্তঃপ্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০১৮ এর ১০০ মিটার দৌড়ে থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে প্রথম স্থান এবং জাতীয় পর্যায়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করে। গত ১৩ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় পর্যায় শ্রেষ্ঠ বিবেচনা করে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আমার ছেলের হাতে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০১৮ প্রদান করেন। একই সাথে প্রধানমন্ত্রী তার হাতে একটি সার্টিফিকেট ও একটি চেক তুলে দেন।

পরবর্তীতে আমার ছেলের কাছ থেকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম ওই চেকের পিছনে জোর করে দু’টি স্বাক্ষর করে চেকটি নিয়ে নেন। এর আগে একইভাবে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে পুরস্কার পাওয়া আরো ১৫ হাজার টাকা নিয়ে নেন তিনি। প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম আমার ছেলেকে বলেন, স্কুলে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব টাকা ও সার্টিফিকেট তোমার হাতে তুলে দেওয়া হবে। কিন্তু আজও তা দেওয়া হয়নি।

গত ১৫ এপ্রিল আমি স্কুলে গিয়ে এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের কাছে চেকের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক উত্তেজিত হয়ে আমাকে মারতে যান।

এ সময় প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম ও স্কুলের সভাপতি মুনছুর আলী হুমকি দিয়ে আমাকে বলেন, তোমার ছেলেকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হবে। বিষয়টি লোক জানাজানি হলে তোমার ছেলের আরো ক্ষতি হবে।

আনছার আলী বলেন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম ও স্কুলের সভাপতি মুনছুর আলী আমার ছেলের এসব টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে নিয়েছে।

এ ব্যাপারে স্কুলের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের করেও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।









Leave a reply