ঘোষণা ছাড়া অস্ত্রসহ বিমানবন্দরে আ.লীগ নেতা, এবার ধরা পড়ল প্রথম চেকিং পয়েন্টেই

|

আব্দুল্লাহ তুহিন, বিশেষ প্রতিনিধি:

এবার অস্ত্র নিয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশ করলেন আওয়ামী লীগ নেতা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। প্রথম চেকিং পয়েেন্টই ধরা পড়ে তার সাথে আগ্নেয়াস্ত্রটি। বৈধ লাইসেন্স আছে দাবি করলেও এভিয়েশন আইন ভঙের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও গ্রেফতার করে বিমানবন্দর থানায় সোপর্দ করা হয়।

সোমবার বিকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অস্ত্র নিয়ে প্রবেশের অভিযোগে আটক হন যশোরের চৌগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফুলসর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেহেদী মাসুদ হোসেন।

বিমানবন্দরের সিসি ক্যামেরা ফুটেজে দেখা যায়, বিমানবন্দরে ঢুকেই নিজের ব্যাগ চেকিং কাউন্টারে দিয়ে তিনি সামনে এগিয়ে যাচ্ছেন। দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের কাছে তার নিকট থাকা অস্ত্রের ব্যাপারে তিনি কিছুই জানান নি।

তবে প্রথম চেকিং পয়েন্টেই মাসুদের ব্যাগের আগ্নেয়াস্ত্রের উপস্থিতি শনাক্ত করেন কর্মকর্তারা। তখনই তাকে আটক করা হয়।

আটকের পর মাসুদকে এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) পরিচালক উইং কমান্ডার নূরের নেতৃত্বে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট আবীর ও সাজেদুল তাকে জিজ্ঞাসবাদ করেন। এসময় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। ঘোষণা না দিয়ে বিমানবন্দরে অস্ত্র আনার বিষয়ে কোনো সুদুত্তোর দিতে না পারায় অস্ত্র আইন ও সিভিল এভিয়েশনের নিয়ম ভঙের কারণে তার বিরুদ্ধে মামলা করা দায়ের করা হয়।

এবার শাহজালালে অস্ত্র নিয়ে আ. লীগ নেতা

এবার অস্ত্র নিয়ে শাহজালাল বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগ নেতাপ্রথম চেকিং পয়েন্টেই ধরা পড়ে তার ব্যাগে থাকা আগ্নেয়াস্ত্রটি

Gepostet von Jamuna Television am Montag, 11. März 2019

চট্টগ্রামে বিমান ছিনতাই-চেষ্টার ঘটনায় প্রাপ্ত খেলনা পিস্তলের তদন্ত শেষ না হতেই গত ৫ মার্চ লাইসেন্স করা পিস্তল নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্ক্যানিং মেশিন পার হন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন।

এ নিয়ে ইলিয়াস কাঞ্চন যে তথ্য দেন তাকে ‘অসত্য’ বলে মন্তব্য করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। কিন্তু তারপরই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে দেশব্যাপী সমালোচনা শুরু হয়।

ইলিয়াস কাঞ্চনের পিস্তল বিতর্ক শেষ না হতে না হতেই গত ৮ মার্চ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে প্রথম চেকিং পার হওয়ার পর নিজের সঙ্গে অস্ত্র থাকার কথা স্বীকার করেন মামুন আলী নামে এক যাত্রী। পরবর্তীতে যাত্রী মামুন পিস্তল ও গুলি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে নিয়ম মেনে সঙ্গে করে সিলেটে নিয়ে যান।


সম্পর্কিত আরও পড়ুন





Leave a reply