ট্রান্সকমের লতিফুরের কাছে দুদকের নামে ভুয়া চিঠি

|

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও লতিফুর রহমানের প্রতি দুদকের নোটিশ ও পরে একটি স্বাক্ষর, স্মারক ও তারিখ ছাড়া ২৫ ফর্দে কথিত চিঠির মাধ্যমে তথ্যাদি চাওয়ার বিরুদ্ধে রিট আবেদনের শুনানি শেষ, আগামী ১০ মার্চ রোববার এই শুনানির আদেশ দেয়া হবে। আজ ৭ মার্চ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এই আদেশের তারিখ দেন।

রিটকারী পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, এডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিন ও ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক, দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশিদ আলম খান, রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না।

দুদক আইনজীবী বলেন, অবৈধ উপায়ে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগে ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লতিফুর রহমানকে দেয়া নোটিশ দুদকের নয়।

জানা যায়, দুদকের পক্ষে গত বছরের ১১ অক্টোবর এক নোটিশ ( দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ১৯ এবং দুর্নীতি দমন কমিশন আইন বিধিমালা, ২০০৭ এর ২০ বিধিসহ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬০ ধারামতে) প্রদান করে লতিফুর রহমান, চেয়ারম্যান ও সিইও, ট্রান্সকম গ্রুপ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ট্রান্সকম গ্রুপভুক্ত বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের গ্যাসবিল, বিদ্যুৎ বিল, ভ্যাট ইত্যাদি ফাঁকি দিয়ে শত শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও বিভিন্ন দেশে অর্থ পাচার এবং অবৈধ উপায়ে জমি দখলে রাখার বিষয়ে গত বছরের ১৮ অক্টোবর দুদকের উপ- পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিনের নিকট হাজির হতে বলেন। মো. নাসির উদ্দিন নিজেই নোটিশে স্বাক্ষর করেছিলেন। সেই মোতাবেক তিনি হাজিরও হয়েছিলেন।

পরে আবার লতিফুর রহমানের কাছে স্বাক্ষর, স্মারক ও তারিখ বিহীন ২৫ ফর্দে বিভিন্ন বিষয়ে হিসাব চাওয়া হয়। মূলত এই চিঠিকে চ্যালেঞ্জ করে ৩ মার্চ রিট দাখিল করা হয়। লতিফুর রহমানের পক্ষে আদালতে খান মো. শাহাদাত হোসেন হলফ করে রিটটি ফাইল করেন।









Leave a reply