শেষ হলো ঢাকার দুই সিটি’র নিরুত্তাপ ভোটগ্রহণ

|

ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র ও দুই সিটির ৩৭ ওয়ার্ডে নতুন প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোট চলে বিকাল চারটা পর্যন্ত। তবে প্রথম চার ঘণ্টায় অধিকাংশ কেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি বেশ কম দেখা গেছে। প্রথম দেড় ঘন্টায় অনেক কেন্দ্রে একটিও ভোট পড়েনি। বৈরি আবহাওয়ার কারণেই ভোটার উপস্থিতি কম বলে মনে করছেন ভোট সংশ্লিষ্টরা। তবে আবহাওয়ার উন্নতি ও বেলা বাড়ার সাথে সাথে বৃদ্ধি পায় ভোটারদের উপস্থিতি।

ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি কম হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী শাফিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, সকাল থেকে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ঘুরছি। কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঘুরেও ভোটারদের দেখা পাইনি।

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। তিনি বলেছেন, প্রধান বিরোধীদলগুলো অংশ না নেয়ায় এটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নয়। ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল কম। বৃহস্পতিবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা দুই কারণকে দায়ী করেছেন। তিনি এও বলেছেন, ভোটকেন্দ্রে ভোটার না আসার দায় নির্বাচন কমিশনের নয়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার আনার দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর এবং প্রার্থীদের। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় উত্তরার আইইএস উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়কেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

ভোটার ঘিরে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নতুন প্রতিনিধি নির্বাচনে দুই সিটির মোট ভোটার ৩৫ লাখ। এই নির্বাচন ঘিরে নতুন ৩৬ ওয়ার্ডের বাসিন্দারা আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছেন। তারা বলছেন নিজ নিজ এলাকার উন্নয়নে অবদান রাখবে নবনির্বাচিত প্রতিনিধি। নতুন এ পর্ষদের মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের মে মাসে।









Leave a reply