পটুয়াখালীতে মেয়র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর

|

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী পটুয়াখালী চেম্বারের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদের জগ মার্কার চারটি নির্বাচনী অফিসে হামলা ভাঙচুর করেছে সন্ত্রাসীরা। বুধবার রাত থেকে সকাল পর্যন্ত এই ভাঙচুর করা হয়।  এঘটনায় মহিউদ্দিন আহমেদ জেলা রিটার্নিং অফিসারসহ প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে জানিয়ে আইনি সহায়তার দাবি করেছেন।

মেয়র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহম্মেদ লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, বুধবার রাত থেকে নৌকার মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী কাজী আলমগীর হোসেন অর্ধশত বাহিনী নিয়ে শহরে মোটর সাইকেল শোডাউন দিয়ে গোটা শহরে আতঙ্ক সৃষ্টি করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তার নির্দেশে এই সন্ত্রাসীরা জগ মার্কার নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করে।

তিনি বলেন, “আমিও আওয়ামীলীগের একজন কর্মী হয়েও আমার ওপর মৃত্যুর হুমকি আসছে। তাই আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করছি”। মহিউদ্দিন আরও জানান, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে আমার নিশ্চিত বিজয় ঠেকাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে নৌকার প্রার্থী ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীরা।

এদিকে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কাজী আলমগীর হোসেন তার বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, এগুলো তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার, কে বা কারা ঘটনা ঘটিয়ে তার বা তার দলের উপর দোষ চাপাতে চায়।

এদিকে জেলা রিটার্নিং অফিসার জিয়াউর রহমান খলিফা জানান, মহিউদ্দিন আহমেদের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। যথাযথ ভাবে এর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে পুলিশ সুপার মাইনুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, শহরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে শহরে পুলিশি টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। তাছাড়া আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালীতে পৌর নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবার লক্ষ্যে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, তফসিল ও উচ্চ আদালতের নির্দেশানুযায়ী আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালী পৌর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে নৌকার প্রতীক নিয়ে মাঠে আছেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাজী আলমগীর হোসেন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হিসেবে আছেন চেম্বারের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ, বিএনপির মোস্তাক আহমেদ পিনু ও ইসলামি ঐক্যজোটের শাহআলম।









Leave a reply