বুড়িগঙ্গা-কর্ণফুলীর পাড় উদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযান

|

রাজধানীর আশেপাশের নদীকে দখলমুক্ত করতে কামরাঙ্গীরচর এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ। সকাল দশটার দিকে শুরু হয় এই অভিযান। চতুর্থ দিনের মতো এই অভিযানে ভেঙে দেয়া হচ্ছে নদী দখল করে নির্মিত বিভিন্ন বাড়ি-ঘর এবং প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো।

বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তারা বলছেন, নদী দখলমুক্ত করতে ক্রাশ প্রোগ্রাম এর অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান কর্মকর্তারা।

এদিকে চট্টগ্রামে কর্ণফুলী তীর থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলছে দ্বিতীয় দিনের মতো। দখলমুক্ত করার অভিযান শুরুর পর থেকে পাল্টে যেতে শুরু করেছে কর্ণফুলী নদীর দুই তীর। চট্টগ্রামের প্রাণ হিসেবে পরিচিত এই নদী গিলে খাওয়া দখলদারদের নির্মিত অবৈধ স্থাপনা, একে একে গুঁড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। চিহ্নিত প্রায় আড়াই হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। উচ্ছেদ শুরুর পর অনেকে নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নিচ্ছেন মালামাল। পতেঙ্গা থেকে কালুরঘাট পর্যন্ত প্রায় দশ কিলোমিটার এলাকাকে তিনটি জোনে ভাগ করে চলছে এই অভিযান। দখলমুক্ত করা অংশে পুনরায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে কঠোর নজরদারির কথা বলছেন কর্তৃপক্ষ।









Leave a reply