গাইবান্ধায় ভিন্ন প্রশ্নপত্রে ১১০ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা গ্রহণ

|

গাইবান্ধা প্রতিনিধি :

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ফকিরহাট দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে ১১০ জন পরীক্ষার্থীর ভিন্ন সিলেবাসের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে কেন্দ্র সচিব ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।

শিক্ষার্থীরা জানায়, সকালে বাংলা প্রথম পত্রের লিখিত পরীক্ষা দেয়ার পর নৈর্ব্যক্তিক (এমসিকিউ) পরীক্ষার সময় সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্র বিতরণ না করে ভিন্ন সিলেবাসের প্রশ্ন বিতরণ করেন দায়িত্বরত শিক্ষকরা। ফলে ১১০ জন শিক্ষার্থী ভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছে।

তাদের অভিযোগ, কেন্দ্রের ১১০ জন শিক্ষার্থীকে নুতন সিলেবাসের প্রশ্নপত্র দেয়ার কথা। কিন্তু তা না করে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে পুরাতন সিলেবাসের নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়। পরে পরীক্ষা চলার শেষ সময়ে তারা ভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে শিক্ষকদের অবগত করেন।

ভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেয়ায় ফলাফল নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এ ঘটনার জন্য দায়িত্বরত কেন্দ্র সচিবকে দায়ি করেন তারা। একই সঙ্গে কেন্দ্র সচিবের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

ভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেজবাউল হোসেন জানান, বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসলে তাৎক্ষণিক দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়। ভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেয়ার কারণে পরীক্ষার্থীদের কোন সমস্যা হবে না। তাদের উত্তরপত্র আলাদা করে সঙ্গে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ বোর্ডে পাঠানো হবে। পরীক্ষার্থীর ফলাফল নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ নেই বলেও জানান তিনি’।

তিনি আরও জানান, দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে কেন্দ্র সচিব শফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এছাড়া কেন এ ঘটনা ঘটেছর তা তিনদিনের মধ্যে জানাতে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পলাশবাড়ী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ফকিরহাট দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব শফিকুল ইসলামের ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ছেলে ফোন রিসিভ করে। পরে এ নিয়ে শফিকুল ইসলামের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।









Leave a reply