গাইবান্ধায় বিয়ের নয়দিন পর নববধূর লাশ উদ্ধার

|

গাইবান্ধা প্রতিনিধি :

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় বিয়ের নয়দিনের মাথায় শশুর বাড়ীর নিজ ঘরের বিছানা থেকে চামেলী আকতার (১৯) নামে এক নববধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে স্বামী সুজন মিয়া ও তার পরিবারের লোকজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।

আজ দুপুর পৌনে ১২টার দিকে সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের হাট ভরতখালী গ্রামে নিহতের স্বামী সুজন মিয়ার বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত চামেলী আকতার সাঘাটা উপজেলার পদুমশহর ইউনিয়নের টেপা পদুমশহর গ্রামের মোস্তাফা মিয়ার মেয়ে এবং একই উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের হাটভরতখালী গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে সুজন মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, গত নয়দিন আগে চামেলী আকতারের সাথে সুজন মিয়ার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে চামেলী আকতার স্বামী সুজন মিয়ার বাড়িতে ছিলো। শনিবার ভোরে সুজন মিয়া স্ত্রী চামেলীর অসুস্থতার কথা জানিয়ে শ্বশুরবাড়ীতে ফোন করেন। খবর পেয়ে চামেলীর বাড়ির লোকজন সকালে সুজনের বাড়িতে এসে ঘরের খাটের উপর চামেলীর লাশ দেখতে পায়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারের সময় চামেলীর গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

চামেলীর পরিবারের দাবি, স্বামী সুজন মিয়া ও তার পরিবারের লোকজন চামেলীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় সুজন ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা করবেন বলে জানান চামেলীর বাবা মোস্তফা মিয়া।









Leave a reply