তৃতীয়বারের মতো স্পিকার হলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী

|

একাদশ সংসদের স্পিকারের দায়িত্বেও থাকছেন শিরীন শারমিন চৌধুরী। সংসদ অধিবেশনে বসার পরই এই পদে নির্বাচন হয়। এ নিয়ে তৃতীয়বার স্পিকার হিসেবে সংসদ পরিচালনা করবেন তিনি।

৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের এক মাসের পর আজ বুধবার বেলা তিনটায় বসে সংসদ। দশম সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রথমেই নির্বাচন হয় স্পিকার পদে।

বাংলাদেশের পদমর্যাদাক্রমে স্পিকার পদটি আছে তৃতীয় নম্বরে। প্রথমে রাষ্ট্রপতি, পরে প্রধানমন্ত্রী এবং এরপর আছেন স্পিকার।

শিরীন শারমিন চৌধুরী এবার রংপুর-৬ আসন থেকে সরাসরি নির্বাচিত হয়েছেন। দশম সংসদ নির্বাচনে ওই আসন থেকে নির্বাচিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে উপনির্বাচনে ওই আসনের সংসদ সদস্য হন শিরীন শারমিন চৌধুরী।

শিরীন শারমিনের জন্ম অবশ্য ঢাকায়, ১৯৬৬ সালের ৬ অক্টোবর। যদিও তার বাবার বাড়ি নোয়াখালীর চাটখিলে।

১৯৮৩ সালে ঢাকা বোর্ডে মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অর্জন করা শিরীন দুই বছর পর এইচএসসি-তে একই বোর্ড থেকে মানবিক বিভাগে দ্বিতীয় হন। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও ১৯৯০ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম-এ ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হন। তিনি একজন কমনওয়েলথ স্কলার।

২০০০ সালে সাংবিধানিক আইন ও মানবাধিকার বিষয়ে যুক্তরাজ্যের এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে পিএইচডি অর্জন করা শিরীন ১৯৯২ সালে বার কাউন্সিলে তালিকাভুক্ত আইনজীবী হিসেবে যোগ দেন। সুপ্রিম কোর্টে তাঁর ১৫ বছর এডভোকেট হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর শিরীন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

৪৬ বছর বয়সে ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল নবম জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন শিরীন শারমিন। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ স্পিকার। দশম সংসদ নির্বাচনের পর তিনি প্রথম অধিবেশনে স্পিকার নির্বাচিত হন।









Leave a reply