সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি

|

দোহার নবাবগঞ্জে সাংবাদকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকরা। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সকাল ১১টায় মানববন্ধন শুরু হয়। এসময় বিভিন্ন টেলিভিশন, পত্রিকা রেডিওসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা যোগ দেন।

তারা বলেন, রাতের আঁধারে সাংবাদিকদের ওপর এমন হামলা ন্যাক্কারজনক। নবাবগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান তারা।

প্রসঙ্গত গত সোমবার রাতে নবাবগঞ্জে শামীম গেস্ট হাউসে যমুনা টেলিভিশন ও দৈনিক যুগান্তরের সংবাদকর্মীদের ওপর অতির্কিত হামলা হয়। এতে আহত হন ১০/১২ জন সাংবাদিক। ভাঙচুর করা হয় ১৬টি গাড়ি।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে দোহার উপজেলা চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ওই ন্যাক্কারজনক হামলায় অংশগ্রহণকারী আসামীদের মধ্যে রয়েছেন – ১) দোহার উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মো: আলমগীর হোসেন (৫০), থানা – দোহার, জেলা -ঢাকা ২) নবাবগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম (৪৫), থানা – নবাবগঞ্জ, জেলা -ঢাকা ৩) সেচ্ছাসেবক লীগের নেতা মো: পলাশ (৩৮), থানা – নবাবগঞ্জ, জেলা -ঢাকা ৪) মুরাদ শিকদার, থানা – নবাবগঞ্জ, জেলা -ঢাকা ৫) খৈমুন্দিন , থানা – নবাবগঞ্জ, জেলা -ঢাকা ৬) মুরাদ হোসেন, থানা – নবাবগঞ্জ, জেলা -ঢাকা ৭) অনুপ দত্ত নিপু, থানা – নবাবগঞ্জ, জেলা -ঢাকা ৮) মুখলেছুর রহমান, থানা – নবাবগঞ্জ, জেলা -ঢাকা ৯) শহিদুল ইসলাম সেন্টু, থানা – নবাবগঞ্জ, জেলা -ঢাকা ১০) সিয়াম, থানা – নবাবগঞ্জ, জেলা -ঢাকা ১১) মো: শহিদুল, থানা – নবাবগঞ্জ, জেলা -ঢাকা ১২) ওয়াশিম ওরফে আজিজ মন্ডল, থানা – নবাবগঞ্জ, জেলা -ঢাকা ১৩) মুজিবুর দেওয়ান, থানা – নবাবগঞ্জ, জেলা -ঢাকা ১৪) আবদুল জলিল ব্যাপারিসহ (চুড়াইন ইউপি চেয়ারম্যান), থানা – নবাবগঞ্জ, জেলা -ঢাকা অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জন অবৈধভাবে অনাধিকার প্রবেশ করে হত্যা ও জখমের উদ্দেশে ১ নং আসামীর হুকুমে অন্যান্য আসামীগণ অতর্কিতভাবে তাদের হাতে থাকা রিভলভার, ডেগার, রাম দা, চাপাতি, হকিস্টিক, লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ গণমাধ্যম কর্মীদের ওপর হামলা করে।









Leave a reply