তরুণ ভোটাররা আমার সঙ্গে আছেন: অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম

|

ঢাকা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি বলেছেন, দোহার-নবাবগঞ্জে বিগত সময়ে কোনো প্রার্থী এত উন্নয়ন করতে পারেনি। আমি খুব খুশি, নতুন ভোটার এবং তরুণ প্রজন্ম এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আমার সঙ্গে কাজ করছেন, তারা মটরগাড়ির পক্ষে মাঠে নেমেছেন।

রোববার দুপুরে নবাবগঞ্জ সদরের বর্ধনপাড়া এলাকায় এক নির্বাচনী সভায় তিনি এসব কথা বলেন। দোহার-নবাবগঞ্জের নতুন ভোটার ও নবীনদের সমন্বয়ে আয়োজিত এ সভায় প্রায় তিন হাজার তরুণ ভোটার উপস্থিত ছিলেন।

সভায় নতুন ভোটার ও তরুণরা মটরগাড়ি প্রার্থী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের পক্ষে নানা স্লোগান দেন। তারা সালমা ইসলামের পক্ষে কাজ করার জন্য নিজেদের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সভায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী সালমা ইসলাম বলেন, আমি মানুষের জন্য রাজনীতি করি। দেশে ও দেশের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। নবাবগঞ্জ-দোহারে আরও ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করে দুই উপজেলাকে দেশের মধ্যে উন্নয়নের মডেল হিসেবে দাঁড় করাতে চাই।

সালমা ইসলাম আরো বলেন, ‘যুবসমাজ ও নতুনরা শক্তির উৎস। এ শক্তির উৎস দেশগড়া ও মানুষের কল্যাণে কাজ করবে। আমি আপনাদের হয়ে সারাজীবন বেঁচে থাকতে চাই।’

বিগত সময়ে দোহার-নবাবগঞ্জের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে টানা দুবারের এ সংসদ সদস্য বলেন, দোহার-নবাবগঞ্জে আমি দুটি কলেজ সরকারিকরণ করেছি। ৮৫টি স্কুল-কলেজের ভবন নির্মাণ করেছি। ৪০টি স্কুল-কলেজ ভবন নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন। ২২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনসহ শিক্ষা বিস্তারে সব ধরণের সহযোগিতা করে গেছি।

তিনি বলেন, আমি উন্নয়নে বিশ্বাসী। আমার নির্বাচনী এলাকায় বিগত সময়গুলোতে শান্তির বাতাস বয়েছে। এই এলাকায় কোনো সন্ত্রাস কিংবা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হতে দিইনি।

তিনি আরও বলেন, প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে নবাবগঞ্জ ও দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আধুনিকীকরণ করেছি। ২২টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছি।

‘নবাবগঞ্জ উপজেলা এবং কোইলাইল ইউনিয়নে মা ও শিশু হাসপাতাল নির্মাণের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আপনাদের ভোটে আবার নির্বাচিত হয়ে এই দুই উপজেলায় আরও উন্নয়ন করতে চাই।’

আর উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রাখতেই নিজের প্রতীক মটরগাড়িতে ভোট চেয়েছেন সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি।

জনসভায় বিশিষ্ট শিল্পপতি নুরুল ইসলাম বলেন, ভোটারদের মধ্যে মটরগাড়ি মার্কার পক্ষে জোয়ার উঠেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষ হয়ে সন্ত্রাসীরা যে কর্মকাণ্ড করছে, সে কর্মকাণ্ডের তীব্র জবাব দেবে এলাকার ভোটাররা।

তিনি বলেন, এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষ উন্নয়ন চায়, শিক্ষার প্রসার চায়। এ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আপনাদের কাছে সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপির পক্ষে ভোট চাই।

তরুণ ও নতুন ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাহারা বসাতে হবে, যাতে কেউ কোনো সন্ত্রাসী ও অশুভ কর্মকাণ্ড ঘটাতে না পারে। ইনশাআল্লাহ আমাদের বিজয় এবারেও নিশ্চিত।

বিশিষ্ট শিল্পপতি আরো বলেন, ‘এমন কারও শক্তি নেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দোহার-নবাবগঞ্জে প্রভাব খাটিয়ে ভোট জালিয়াতি করতে পারে। আমরা আপনাদের নিয়ে তা রুখে দেব।’

কয়েকজন নতুন ভোটরও জনসভায় বক্তব্য রাখেন। তরুণ বক্তারা বলেন, আমরা জীবন দিয়ে হলেও সাবেক এমপি সালমা ইসলামের পক্ষে মটরগাড়ি মার্কায় ভোট দিয়ে তাকে ফের নির্বাচিত করব।

তারা বলেন, উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের কোনো বিকল্প নেই। তিনি আমাদের নয়নমনি। উন্নয়নের ধারকবাহক।









Leave a reply