সরগরম ভারতের রাজনীতি

|

আগামী এপ্রিল বা মে মাসে ভারতে লোকসভার ভোট। কয়েক মাস বাকি থাকতেই, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে নানা সমীকরণ বিরোধী শিবিরে। শেষ বিধানসভা লড়াইয়ে, সাফল্যের পর, রাহুল গান্ধিকে ঘিরেই রণকৌশল সাজাচ্ছে কংগ্রেস। রাহুল গান্ধির নেতৃত্বে চলছে জোট গঠনের তৎপরতা। এদিকে বিজেপিকে ঠেকাতে তাদের সমর্থন দিচ্ছে, আঞ্চলিক অনেক দল। তবে বিরোধীদের এমন দৌঁড়ঝাপকে অবশ্য পাত্তা দিতে নারাজ গেরুয়া শিবির।

ডিএমকে’র প্রেসিডেন্ট এম কে স্ট্যালিন বলেন, আসছে নির্বাচনে কংগ্রেসের সাথে জোট গঠনের ঘোষণা দিচ্ছি। আর বিজয়ী হলে জোট প্রধান হিসেবে রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী করার প্রস্তাব দিচ্ছি।

গেল কয়েক বছরে বিজেপি’র সাফল্যের মূল রূপকার নরেন্দ্র মোদি। নানা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে ব্যক্তিগত আক্রমণের কৌশলেই তাই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন রাহুল।

তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদি যে একজন চোর তার স্পষ্ট প্রমাণ তো আপনাদের সামনেই রয়েছে। কৃষকদের ঋণের সুদ মাফ না করে উনি মিত্তাল আর আম্বানিদের ভর্তুকি দিয়েছেন। বিজেপিকে না হঠাতে পারলে ভারত বিক্রি হয়ে যাবে।

কংগ্রেস হঠাৎ আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠলেও, এখনই দুশ্চিন্তার কিছু দেখছে না ক্ষমতাসীন বিজেপি। লোকসভায় বিধানসভা ভোটের প্রভাব পড়বে না বলেও দাবি তাদের।

বিজেপির মুখপাত্র শাহনেওয়াজ হুসেন বলেন, বিহার, উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্র এসব রাজ্য কিন্তু বিজেপির দখলে। তাই বিধানসভার ফলাফল দিয়ে লোকসভার নির্বাচনকে বিচার করলে ভুল হবে। নরেন্দ্র মোদিই আবার আসবেন ক্ষমতায়।

ভারতের বিশ্লেষকরা বলছেন, উন্নয়ন ও পরিবর্তনের আশ্বাসে মোদির ওপর আস্থা রেখেছিল মানুষ। কিন্তু ক্ষমতায় এসে উন্নয়নের বদলে, কট্টর হিন্দুবাদী নীতি বাস্তবায়নে বেশি জোর দেয়ায় জনপ্রিয়তা কমছে তার।









Leave a reply