লজ্জাজনক হারে বৃথা গেলো মুশফিকের সেঞ্চুরি

|

বৃথা গেলো মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরি। কিম্বার্লিতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টাইগারদের হেসে খেলে ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে প্রোটিয়ারা। প্রথমে ব্যাট করে মুশফিকুর রহিমের অপরাজিত ১১০ রানে ৭ উইকেটে ২৭৮ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে, হাশিম আমলা আর কুইন্টন ডি কুকের উদ্বোধনী জুটিতেই ৪৩ বল আগ্নে জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা।

প্রোটিয়া উইলোতে টেস্টের পর আরও একবার ‘নখদন্তহীন’ বলে প্রমাণিত টাইগারদের বোলিং অ্যাটাক। ৭  ব্যাটসম্যানের জোগাড় করা পুঁজি ২৭৮ রান রীতিমত ‘ছেলের হাতের মোয়া’ বানিয়ে টপকালেন দুই প্রোটিয়া ওপেনার হাশিম আমলা ও ডি কক।

এটি দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট ইতিহাসের উদ্বোধনী জুটিতে সেরা। আর ওয়ানডে ইতিহাসের উদ্বোধনী ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ এই ২৮২ রান; যেখানে একাই ১৬৮ রানের ইনিংস ডি ককের আর হাশিম আমলার নামের পাশে ১১০ রান।

ইনিংসের শুরু থেকেই পেস, স্পিন সব ক্ষেত্রে মাশরাফি-সাকিবদের রীতিমত অসহায় বানানোর প্রতিযোগিতায় নামেন আমলা-ডি কক। ৩০তম ওভারে সকিবকে বাউন্ডারি ছাড়া কোরে ওয়ানেডতে নিজের ১৩ তম সেঞ্চুরি তুলে নেন ডি কক। আর ৩৮ তম ওভারে তাসকিনকে চার হাঁকিয়ে ২৬ তম শতক পূরণ করেন হাশিম আমলা।

সিরিজে প্রথম বার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে অবশ্য ভালো কিছুর বার্তা দিচ্ছিলো বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে ইমরুল-লিটনের ৪৩ রান।

এরপর ২৯ রানের ইনিংসের পথে রেকর্ড গড়েন সাকিব। ওয়ানডে ক্রিকেটে সবচে কম সংখ্যক ম্যাচে পাঁচ হাজার রান ও ২শ উইকেট শিকারের মাইলফলক স্পর্শ করেন এই অলরাউন্ডার।

তবে মুশফিক তুলে নেন ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১১০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। যা কিনা ম্যাচ শেষে কিম্বার্লিতে টাইগার শিবিরের একমাত্র শান্তনা হয়ে থাকলো।

১৮ অক্টোবর ২য় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে দু’দল।









Leave a reply