আদালতে পেশ করা হলো হলি আর্টিজানে পাওয়া গুলি ও রক্তাক্ত জামাকাপড়

|

গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। প্রথমদিন মামলার বাদি এসআই রিপন কুমার দাসকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে চলে এ সাক্ষ্যগ্রহণ। পরে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবর রহমান আগামীকাল পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি করেন।

২০১৬ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশের ইতিহাসের ভয়াবহতম এই জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারায় দুই পুলিশসহ ২২জন; এদের বেশিরভাগই বিদেশি।

ঘটনার পরপরই অ্যাকশনে নামে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। শুরু হয় তদন্তও। মোট ২১ জনের জড়িত থাকার প্রমাণ পায় কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। এদের মধ্যে মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরী, মেজর জিয়াসহ ১৩ জন মারা পড়েন বিভিন্ন আভিযানে। অবশিষ্ট ৮ জনকে আসামি করে গত ২৬ নভেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে চার্জ গঠন করা হয়।

সোমবার মামলার প্রথম শুনানিতে হাজির করা হয় গ্রেফতার থাকা ৬ জঙ্গিকে। এরা হলেন জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, রাকিবুল হাসান রিগান, রাশেদুল ইসলাম, সোহেল মাহফুজ, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, হাদিসুর রহমান সাগর। এদিন, সাক্ষ্য দেন মামলায় এক নম্বর সাক্ষী এসআই রিপন কুমার দাস।

আদালতে উপস্থাপন করা হয় হলি আর্টিজানে পাওয়া গুলি, রক্তাক্ত জামাকাপড়সহ মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু আলামত। সাক্ষ্য প্রদানের পর এসআই রিপনকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। দাবি করেন, হামলায় জড়িত নন অভিযুক্তরা ।

হলি আর্টিজান হামলায় সর্বাধিক ৯ ইতালিয় নাগরিক নিহত হওয়ায় এই মামলার কার্যক্রম দেখতে এজলাসে উপস্থিত ছিলেন দেশটির ঢাকাস্থ দূতাবাসের প্রতিনিধিরা।









Leave a reply