ইভিএম কেন্দ্রগুলো সেনাবাহিনী দিয়ে পরিচালনার চিন্তা

|

তফসিলের পর আইন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচন কমিশনের অধীন। যদিও মোহাম্মদপুরের নির্বাচনী সহিংসতায় ২ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এ প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন কমিশন সচিব হেলালউদ্দীন আহমেদ।

তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচন কমিশনের অধীন।

সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ইসি সচিব জানান, ৩ দিনের মধ্যে জোটগত নির্বাচনের বিষয়ে কমিশনকে জানাতে আইনি বাধ্যবাধকতা আছে।

নিবন্ধিত দল অন্য কোন দলের সাথে জোট গড়ে অংশ নিতে চাইলে, তা কাল রোববারের মধ্যেই জানাতে হবে কমিশনকে। বিরোধী পক্ষ থেকে কিছু বলা না হলেও আওয়ামী লীগ থেকে এই ইস্যুতে সময় চাওয়া হবে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।

হেলালউদ্দীন বলেন, রোববারে মধ্যে ইসিকে জোট না দলগতভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়া হবে সে বিষয়ে পরিষ্কার কিছু জানাতে ব্যর্থ হলে জোটে নয়, নিজ প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে। তবে কমিশন চাইলে এ বিষয়ে সময় আরও কিছু বাড়িয়ে দিতে পারে।

ইভিএম কেন্দ্রগুলো সেনাবাহিনীর পরিচালনায় রাখার ব্যাপারে কমিশনের পরিকল্পনার কথাও জানান সচিব। তিনি বলেন, কেন্দ্রগুলোতে ইভিএম পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে সেনাবাহিনী। ওইসব কেন্দ্রে অন্যান্য কেন্দ্রের মতো আলাদাভাবে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবেও সেনাবাহিনী থাকবে।

বিভিন্ন দল ভোটের তারিখ পেছানোর কথা বললেও সচিব জানালেন এখনো তারিখ পেছানোর কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে সব দল চাইলে কমিশনের পেছানোর এখতিয়ার আছে।









Leave a reply