নির্বাচন কমিশনের বক্তব্যের উপর আস্থা কমে গেছে: গোলাম মতুর্জা

|

সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক গোলাম মতুর্জা বলেছেন, ঐক্যফ্রন্টের দাবিগুলোর মধ্যে কিছু কিছু বিষয় সরকারের পক্ষে মেনে নেয়া সম্ভব। সরকার পদত্যাগ না করলে অন্যদের সংযুক্ত করতে পারে। তবে সরকারের আন্তরিকতার একটি প্রমাণ পাওয়া গেছে। তারা ঐক্যফ্রন্টের সাথে দ্বিতীয়বার সংলাপে বসছে।

তিনি বলেন, কিছুটা আশংকা তৈরি হয়েছে নির্বাচন কমিশনের এক ধরনের অনড় অবস্থানের কারণে। নির্বাচন কমিশন আজকের এই ঘোষণাটি এতো জোর না দিয়েও দিতে পারতেন। সংলাপ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারতেন। তার প্রেক্ষিতে তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন। সেটা না করে তারা বলে দিলেন, তফসিল পেছানো না হলেও সব দল চাইলে নির্বাচন পেছানো যাবে। নির্বাচন কমিশনের বক্তব্যের উপর আস্থা কমে গেছে। কমিশন বলেছিলো সব দল যদি চায় তাহলে ইভিএমে যাওয়া হবে। কিন্তু তারা সব দল থেকে বের হয়ে নিজেরাই ইভিএমের বিষয়ে আগ্রহ দেখানো শুরু করলো।

আজ সন্ধ্যা ৬টায় যমুনা টেলিভিশনে প্রচারিত টকশো ‘রাজনীতি’তে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। টকশোটি সঞ্চালনা করেন রোকসানা আনজুমান নিকোল।

গোলাম মতুর্জা আরো বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাজ একটি সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা। যেনতেন একটা নির্বাচন করা তাদের কাজ নয়। একটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে কমিশন সংকট থেকে বের হওয়ার প্রেক্ষাপট তৈরি করবে। কমিশন এমন কোনো কাজ করতে পারে না যেখানে একটি সংকট থেকে বের না হয়ে আরেকটি সংকটে পড়ে যাবে।

একই সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের সংলাপে বসা এবং রাজনৈতিক কর্মসূচি দেয়ার বিষয়ে এই সাংবাদিক বলেন, এটা রাজনীতির স্বাভাবিক ধারা। সংলাপে সমাধান না হলে রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে দাবি আদায়ের চেষ্টা করবেন।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নির্বাচনে অংশ নেয়া গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তফ্রন্ট বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে চায়। এরশাদ ও ইসলামি দলগুলোও করতে চায়। এটা সংলাপকে দুর্বল করে দিয়েছে।









Leave a reply