যশোরে শায়িত হলেন বিএনপি নেতা তরিকুল

|

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম। ঢাকায় দুই দফার পর যশোরে তৃতীয় জানাজা শেষে বাবা-মা’র কবরের পাশে দাফন করা হয় তাকে। তরিকুল ইসলামের মৃত্যু রাজনীতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি- বলছেন সহযাত্রী রাজনীতিবিদরা। শোকে বিহব্বল তার কর্মী-সমর্থকরাও।

এর আগে তরিকুলের মরদেহ আনা হয় নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ে। সেখানে মরদেহ পৌঁছালে তৈরি হয় হৃদয়বিদারক দৃশ্যের। পরে অনুষ্ঠিত হয় জানাজা। অংশ নেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্য নেতারা।

এসময় মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে রাজনীতিতে কখনো তরিকুল ইসলাম অন্যায়ের সাথে আপস করেননি।

সাবেক মন্ত্রী-এমপি তরিকুল ইসলামের দ্বিতীয় জানাজা হয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। সেখানে এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব) অলি আহমেদ বলেন, ভালো মানুষকে সম্মান করা আমাদের সকলের কর্তব্য। তিনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন। ভালো রাজনীতিবিদ ছিলেন।

এরপর তরিকুল ইসলামের লাশ হেলিকপ্টারে নেয়া হয় নিজ শহর যশোরে। বিমানবন্দর থেকে মরদেহ প্রথমে নেয়া হয় ঘোপ এলাকার নিজ বাসায়।

লালদিঘীর পাড়ে দলীয় কার্যালয়ে যখন নেয়া হয় তরিকুল ইসলামকে, তখন সেখানে হাজারো নেতাকর্মী। সবার চাওয়া, শুধু একনজর দেখবেন প্রিয় নেতার মুখ।

তৃতীয় ও শেষ জানাজার জন্য তরিকুল ইসলামের মরদেহ নেয়া হয় ঈদগাহ ময়দানে। দলমত নির্বিশেষে জানাজায় অংশ নেন লাখো মানুষ।

শেষ বিকেলে শহরের কারবালা কবরস্থানে বাবা-মার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় তরিকুল ইসলামকে।









Leave a reply