‘সেনা মোতায়েন হলে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে’


জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, সেনা মোতায়েন হলে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। আজ সোমবার  নির্বাচন কমিশনের সাথে সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন এরশাদ।

তিনি আরও বলেন, সংসদে প্রতিনিধিত্বশীল দলের এমপিদের দিয়েই নির্বাচনকালীন সরকার গঠন হওয়া উচিত। বিএনপি সেই সরকারে না থাকলে করার কিছু নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ধারাবাহিকভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পূর্ব ঘোষিত সময়ানুযায়ী আজ জাতীয় পার্টির সাথে আলোচনায় বসে কমিশন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে সংলাপে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টির ২৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল সংলাপে অংশ নেয়।

বেলা ১১টার পরপর শুরু হওয়া এ সংলাপে সিইসি প্রথমে এরশাদসহ সকলের সঙ্গে করমর্দন করে পরিচিত হন। তারপর স্বাগত বক্তব্যে এরশাদ আমলের প্রশাসনিক উন্নয়নসহ সার্বিক কৃতিত্ব তুলে ধরেন। এরপর শুরু হয় নির্বাচন নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা। বৈঠকে একটি লিখিত প্রস্তাব সিইসি’র কাছে তুলে ধরে জাপা।

গত ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এবং ১৬ ও ১৭ আগস্ট গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপে বসেছিল ইসি। এরপর গত ২৪ আগস্ট থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে নির্বাচন কমিশন। সংলাপে আসা সুপারিশগুলোর মধ্যে সেনা মোতায়েন, না ভোটের প্রবর্তন,প্রবাসে ভোটারধিকার প্রয়োগ, জাতীয় পরিষদ গঠন, নির্বাচনকালীন অস্থায়ী সরকার গঠন, নির্দলীয় নির্বাচনকালীন সরকার,নির্বাচনের সময় সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া,রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার ও নির্বাচনকালীন সময়ে ইসির অধীনে জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, দলের নির্বাহী কমিটিতে বাধ্যতামূলকভাবে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখার বিধান তুলে নেওয়া ইত্যাদি অন্যতম।

আগামী ১৫ অক্টোবর বিএনপি (ধানের শীষ) এবং ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের (নৌকা) সঙ্গে বসবে ইসি। এবারের সংলাপ শেষ হচ্ছে আগামী ২৪ অক্টোবর। এক্ষেত্রে ২২ অক্টোবর নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে, ২৩ অক্টোবর নারী নেত্রীদের সংলাপে বসছে নির্বাচন কমিশন।









Leave a reply