রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

|

বছর পেরিয়ে গেছে, তাও শুরু হয়নি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন। শিগগিরই যে তা হচ্ছে না, তাও অনেকটা নিশ্চিত। এখন প্রায় এগার লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর যাবতীয় চাহিদা মেটাতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

মিয়ানমারের সাথে সই হওয়া অ্যারেঞ্জমেন্ট অনুযায়ী, আরো অন্তত আট-নয় মাস আগে শুরুর কথা ছিল প্রত্যাবাসন। জাতিসংঘসহ পশ্চিমা বিভিন্ন দেশও এই ইস্যুতে সোচ্চার। যদিও চীন ও রাশিয়ার বিরোধিতার কারণে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে শক্ত কোন প্রস্তাব আনেনি নিরাপত্তা পরিষদে। অনেকেই বলছেন, চীনের সহযোগিতা ছাড়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন খুব কঠিন।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তাই চীনের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ। সেজন্য বেইজিংয়ের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে ঢাকা। এই ইস্যুতে চীন বাংলাদেশের পাশে আছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত এম. ফজলুল করিম। আর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ডাক্তার দীপু মনি জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা সমস্যা দ্রুত সমাধানে মন্ত্রণালয়কে তাগিদ দিয়েছে কমিটি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, বাংলাদেশের কূটনীতিতে রোহিঙ্গা সংকট এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই চীনের সাথেও বিভিন্ন ফোরামে এই ইস্যুতে আলোচনা চলমান বলে জানিয়েছেন বেইজিংয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। সংকট সমাধানে আশাবাদী তিনি।

রোহিঙ্গা সংকটের নানা ধরণের প্রভাব নিয়ে চিন্তিত বাংলাদেশ। এত মানুষের পরিবেশগত ও সামাজিক ঝুঁকি কেবল বাংলাদেশ নয়, পুরো অঞ্চলকেই সংকটে ফেলতে পারে বলে আশংকা বিশ্লেষকদের।









Leave a reply