পণ্যে অননুমোদিত উপাদান ব্যবহার ও ভুল তথ্য প্রদান: ইবনে সিনা ও বায়োফার্মার বিরুদ্ধে মামলা

|

পণ্যে অননুমোদিত উপাদান ব্যবহার এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদানের দায়ে ইবনে সিনা ও বায়োফার্মার বিরুদ্ধে মামলা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। গত মাসের ১৮ তারিখ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রসিকিউটিং অফিসার খাদ্য পরিদর্শক মোহা. কামরুল হাসানের দায়ের করা মামলাটি আজ বৃহস্পতিবার আমলে নিয়েছেন ‘বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত’ এর স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ইবনে সিনা ফার্মাসিটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের পণ্য ‘সিনারোজ শরবত’ এবং বায়ো ন্যাচারস লিমিটেডের পণ্য ‘বায়োরোজ শরবত’ এর বোতলের গায়ে এবং ওয়েবসাইটে পণ্যগুলো সম্পর্কে যেসব তথ্য দেয়া রয়েছে তা মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর এবং অননুমোদিত।

অভিযোগে বলা হয় নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী, চিনি ও ডেক্সট্রোজ তরল গ্লুকোজ এর দ্বারা বা উভয়ের সমন্বয়ে পানি, ভেসজ তেল, ফলের নির্যাস বা ফ্লেভারের সহযোগে তৈরি কোনো পানীয়কে ‘ফলের জুস’ বলা যাবে। কিন্তু সিনারোজ ও বায়োরোজ শরবতের লেবেলে লেখা রয়েছে এগুলো গোলাপ ফুলের নির্যাস দিয়ে তৈরি, যার অনুমোদন খাদ্য আইনে নেই।

এছাড়া গ্রাহকদের দৃষ্টি আকর্ষণে মিথ্যা বিজ্ঞাপন প্রচারেরও অভিযোগ করা হয়েছে পণ্য দুটির উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে। মামলায় আরও বলা হয়েছে, ‘তাদের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা বিজ্ঞাপন প্রচার, অননুমোদিত উপাদান দিয়ে সিনারোজ উৎপাদন, পণ্যের লেবেলের গায়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও বক্তব্য প্রচার করা সিনারোজ শরবত ও ফ্রুট সিরাপ বিক্রয় করতে সমগ্র বাংলাদেশের ভোক্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার একটি ভিন্ন অপকৌশল মাত্র।’

একই রকম অভিযোগ করা হয়েছে বায়োরোজ শরবতের বিরুদ্ধেও।

আলাদা দুটি মামলায় আসামি করা হয়েছে ইবনে সিনা ফার্মাসিটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের চেয়ারম্যান শাহ আব্দুল হান্নান ও বায়ো ন্যাচারস লিমিটেডের (বায়োফার্মা) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. মিজানুর রহমানকে।









Leave a reply