১৫০ জন যুবক নির্মাণ করলো “বঙ্গবন্ধু ভাসমান সেতু”

|

যশোরের মনিরামপুরে ঝাঁপা এলাকার কপোতাক্ষ নদের আলোচিত ভাসমান সেতুর পাশেই এলাকার ১৫০ যুবকের অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়েছে দ্বিতীয় ভাসমান সেতু। যার নাম দেয়া হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু ভাসমান সেতু’। যোগাযোগ ব্যবস্থার আরো উন্নতি, ব্যবসা প্রসার ও পর্যটন বিকাশের লক্ষে স্থানীয়দের উদ্যোগে এ সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। ‘বঙ্গবন্ধু ভাসমান সেতু’ নির্মাণ করতে খরচ হয়েছে ৯০ লাখ টাকা। নির্মাণকাজে সময় লেগেছে পাঁচ মাস।

মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ বাজার ও ঝাঁপা গ্রামকে বিভক্ত করেছে কপোতাক্ষ নদের একটি অংশ। যা বর্তমানে ঝাঁপা বাওড় নামে পরিচতি। গ্রামটির চারপাশে জলাধার থাকায় সড়ক পথে এ গ্রামে যেতে হলে অন্তত ১২ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। শত বছর ধরে নৌকায় যাতায়াত ছিল গ্রামবাসীর অন্যতম মাধ্যম। কিন্তু নৌকা পার হতে গিয়ে নানা বিড়াম্বনায়ও পড়তে হয় তাদের। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করতে সেতুটি ১৪৫০ টি ড্রাম, ২৪০ টি লোহার শিট ১৬৮০ টি এ্যাংগেল দিয়ে তৈরি করা হয়। সেতুটি ৮০০ ফিট লম্বা ও ১২ফিট । এলাকার ১৫০ যুবকের অর্থায়ানে দ্বিতীয় ভাসমান সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। গত ৫ মাসের পরিশ্রমে প্রায় ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে এ ভাসমান সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে।

সেতুটি নির্মাণে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা এখন আনন্দে উদ্বেলিত। তাদের দাবি দ্বিতীয় ভাসমান সেতু দেশব্যাপী তাদের এলাকার পরিচিতিতে আরো বেশি ভূমিকা রাখবে।

এদিকে ঝাঁপা বাওড়ে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণে উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য।

সেতুটি রাজগঞ্জ ও ঝাঁপা গ্রামের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। এর আগে চলতি বছর জানুয়ারি মাসের ২ তরিখে ১ম সেতুর উদ্বোধন করা হয়।









Leave a reply