জাতীয় শোক দিবস আজ

|

আজ শোকাবহ ১৫ আগস্ট। জাতীয় শোক দিবস। জাতি আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসায় সপরিবারে তাকে হত্যা করে।

এই রাতে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তাদের সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশু শেখ রাসেল, পুত্র বধূ সুলতানা কামাল, রোজি জামালসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনকে হত্যা করে।

এসময় বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান।

সুদীর্ঘ ২১ বছর পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এলে শুরু হয় বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার কার্যক্রম। এরইমধ্যে এই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। পলাতক আছে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আরও ৭ আসামি। আর ২০০২ সালে জিম্বাবুয়েতে মারা যায় আজিজ পাশা।

দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনে জেল-জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন আর স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষু ছিল বঙ্গবন্ধুর নিত্যসঙ্গী। তিনি নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন বহুবার। একাধিকবার ফাঁসির মঞ্চ তৈরি হয়েছিল তার জন্য। বাঙালির প্রতি তার বিশ্বাস ও আস্থা ছিল আকাশচুম্বী।

সেজন্যই হাসিমুখে, নির্ভীকচিত্তে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সব ধরনের জুলুম-নির্যাতন বরণ করেছেন তিনি। আমৃত্যু একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিবাদী ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের বাংলাদেশের যথাযথ রূপায়ণই হবে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের সর্বোত্তম উপায়। সেই লক্ষ্যে জাতীয় শোক দিবসের প্রতিজ্ঞা হোক- শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে হবে।

বঙ্গবন্ধুর ৪৩ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

যমুনা অনলাইন: আরএম









Leave a reply