তীরে এসে আবারও তরী ডুবালো টাইগাররা

|

শেষ ওভারের নাটকীয়তায় মাত্র ৩ রানে হেরে গেছে বাংলাদেশ। ক্যারিবিয়ানদের দেয়া ২৭২ লক্ষে তাড়া করতে নেমে ৬ উইকেটে ২৬৮ রানে থামে টাইগাররা। এ জয়ে সিরিজে ফিরল স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

টস জেতা অধিনায়ক মাশরাফির হাত ধরে ক্যারিবিয়ান দূর্গে আঘাত হানে বাংলাদেশ। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগে এভিন লুইসকে ফেরান ম্যাশ। ২৯ রান করা ক্রিস গেইলকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী মিরাজ। ৫৫ রানে দুই টপ অর্ডারকে হারিয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। তবে রোভম্যান পাওয়েল ও শিমরন হেটমায়ারের ১০৩ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সবচেয়ে কম বয়সী ক্যারিবিয় হিসেবে ৮৪ বলে প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন হেটমায়ার। শেষ দিকে সাকিব-রুবেল-মোস্তাফিজের দৃঢ়তায় ৩ বল আগে ২৭১ রানে থামে স্বাগতিকরা। হেটমায়ারে ব্যাট থেকে আসে ১২৫ রান। রুবেল ৩ আর সাকিব- মোস্তাফিজ নেন ২ টি করে উইকেট।

জবাবে তামিম-বিজয়ের ব্যাটে দারুন শুরু করে বাংলাদেশ। ৪ ওভার ৪ বলে আসে দ্রুততম দলীয় ফিফটি। ৯ বলে ২ চার আর দুই ছক্কায় ২৩ রানে ফেরেন বিজয়। ৩২ রানে প্রথম উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশকে কক্ষপথে রাখেন সাবিক-তামিম জুটি। তাদের ৯৭ রানের পার্টনারশিপ ভাঙ্গে ৫৪ রান করা তামিমের বিদায়ে। এরপর ফিফটি করে সাকিব ফিরলে মুশফিক-মাহমুদুল্লা ব্যাটে লড়ে বাংলাদেশ। তবে এ দুইজনের বিদায়ে লড়াইটা কঠিন হয়ে যায় সফরকারীদের। শেষ ওভারে টাইগারদের দরকার ছিলো ৮ রান। ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক হোল্ডারের ওই ওভারের প্রথম বলে বিদায় নেন মুশফিক। এরপর মাঠে থাকা মোসাদ্দেকের সঙ্গে যোগ দেন টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি। কিন্তু তারা ৫ রান যোগ করেই ওভার শেষ করেন। অসাধারণ বল করে দলকে সিরিজে ফিরিয়ে আনেন হোল্ডার।

এদিকে নিদাহাস ট্রফির মতো এই ম্যাচেও তীরে এসে তরী ডুবালো টাইগাররা। নিদাহাস ট্রফিতে ভারতের সঙ্গে পুরো ম্যাচ দুর্দান্ত খেলে ফিনিশিং টানতে পারেননি মুশফিক। পরিণামে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। এই ম্যাচেও দুর্দান্ত খেলা মুশফিক ফিনিশিং দিতে পারেনি। তাই সর্বোচ্চ স্কোর (৬৮) করেও অনেকের কাছে খলনায়ক মুশফিকুর রহিম।









Leave a reply