বড়পুকুরিয়ায় কয়লা লোপাটের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

|

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ১ লাখ ৪৪ হাজার মেট্রিক টন কয়লা লোপাটের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। দুপুরে পেট্রোবাংলায় গিয়ে কাগজপত্র পরীক্ষার পর এ কথা জানিয়েছেন দুদক পরিচালক কাজী শফিকুল আলম।

আর এরকম ভয়ংকর ঘটনার পেছনে বড় ধরণের দুর্নীতি ছাড়াও চূড়ান্ত অবহেলা আর অব্যবস্থাপনাকে দায়ী বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। বিদেশি কয়লা আমদানিকে উৎসাহিত করতে এমন ঘটনা কিনা, সেই প্রশ্নও তুলেছেন কেউ কেউ।

২২৭ কোটি টাকার কয়লা গায়েব! এই ঘটনা জানাজানির পর ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী সোমবারই নির্দেশনা দিয়েছেন কারণ খুজে বের করার। তারপরই নড়েচড়ে বসেছে পেট্রাবাংলা ও দুদকের তদন্ত কমিটি। আগের দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মঙ্গলবার পেট্রাবাংলা ও পিডিবি কার্যালয়ে অনুসন্ধানে যায় দুদক টিম। খয়লা চুরির বিষয়ে কাগজপত্র পরীক্ষা করেন তারা। কথা বলেন দায়িত্বে থাকা নীতিনির্ধারকদের সাথেও। তদন্ত দলের প্রধান জানান সত্যতা মিলেছে গণমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগের ।

এত কয়লা কিভাবে চুরি হলো, কেন আগে থেকে পেট্রোবাংলা বা ইপিডি জানলো না- এসব প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের আশঙ্কা, সমন্বিতভাবে লোপাট করা হয়েছে বড়পুকুরিয়ার মহামূল্যবান কয়লা।

বিদেশি কোম্পানি নাইকো ও এশিয়া এনার্জির উদাহরণ টেনে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি খাতে দেশি বিদেশি চক্রান্ত এখন সক্রিয়। বড়পুকুরিয়া কেলেংকারি তার অংশ কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখার তাগিদ তাদের।

এদিকে বড়পুকুরিয়া কয়লা প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ চার শীর্ষ কর্মকর্তা যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন, সে বিষয়ে সিআইডিকে চিঠি দিয়েছে দুদক। জানা গেছে, শুরু থেকে এখন পর্যন্ত এই প্রকল্পে কাজ করা শীর্ষ সব কর্মকর্তার সাথেই কথা বলবে দুর্নীতি দমন কমিশন।









Leave a reply