“অবরোধে কাতারবাসীর মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে”

|

The International Court of Justice (ICJ), principal judicial organ of the UN, delivers its Order on the Request for the indication of provisional measures submitted by Qatar in the case concerning Application of the International Convention on the Elimination of All Forms of Racial Discrimination (Qatar v. United Arab Emirates) on 23 July 2018 at the Peace Palace in The Hague, the seat of the Court. Session held under the presidency of Judge Abdulqawi Ahmed Yusuf, President of the Court. The CourtÕs role is to settle, in accordance with international law, legal disputes submitted to it by States (its Judgments are final and binding), and to give advisory opinions on legal questions referred to it by authorized UN organs and agencies. Its official languages are English and French. For more information: www.icj-cij.org La Cour internationale de Justice (CIJ), organe judiciaire principal de lÕOrganisation des Nations Unies, rend, le 23 juillet 2018, son ordonnance sur la demande en indication de mesures conservatoires prŽsentŽe par le Qatar en lÕaffaire relative ˆ lÕApplication de la convention internationale sur lՎlimination de toutes les formes de discrimination raciale (Qatar c. Emirats arabes unis), au Palais de la Paix, ˆ La Haye, o la Cour a son sige. SŽance publique tenue sous la prŽsidence de M. Abdulqawi Ahmed Yusuf, prŽsident de la Cour. La mission de la Cour est de rŽgler, conformŽment au droit international, les diffŽrends dÕordre juridique qui lui sont soumis par les Etats (ses arrts sont sans appel et obligatoires pour les Parties) et de donner des avis consultatifs sur les questions juridiques que lui posent les organes et les institutions de lÕONU autorisŽs ˆ le faire. Ses deux langues officielles sont le franais et lÕanglais. Pour en savoir plus: www.icj-cij.org

কাতারের উপর সংযুক্ত আরব আমিরাতের অবরোধে দেশটির নাগরিকদের মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বলে রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক আদালত। সোমবার আদালতের রায়ে ক্ষতিগ্রস্ত কাতারি পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের নির্দেশ দেয়া হয়।

কুয়েতি শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা শেষ করার সুযোগ দিতেও আরব আমিরাতকে বলা হয়েছে। গত মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের দায়ে আন্তর্জাতিক আদালতের দ্বারস্থ হয় কাতার।

কাতারের অভিযোগ, জাতিগত বৈষম্য রোধে স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক কনভেশনের শর্ত মানেনি আমিরাত। অনেক কুয়েতি নাগরিককে বহিষ্কার করা হয় দেশটি থেকে। এমনকি সেদেশে পরিবার ও সম্পত্তি রয়েছে এমন ব্যক্তিদেরকেও দেশটি ত্যাগে বাধ্য করা হয়।

ইরানের সাথে ঘনিষ্ঠতা ও ইসলামপন্থী গ্রুপকে মদদের অভিযোগে গত বছর জুনে একযোগে স্থল, নৌ ও আকাশথে অবরোধ আরোপ করা হয় কাতারের উপর। সৌদি আরব, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিশরের আরোপ করা অবরোধ এখনও চলছে।





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply