শীতে সর্দি-কাশির হাত থেকে বাঁচতে ডায়েটে রাখুন এই ৭টি খাবার

|

শীতকাল যেকোনো বয়সী মানুষ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যার শিকার হন। ঠান্ডা লাগা, সর্দি কাশি শীতের মৌসুমে খুবই সাধারণ রোগ। তবে যেগুলি বিশেষ করে ভাইরাল সংক্রমণ থেকেই হয়ে থাকে। ফ্লু, কোভিড, আরএসভি (শ্বাসযন্ত্রের সিনসিটিয়াল ভাইরাস) যা শীতের মৌসুমে ব্যাপকভাবে দেখা যায়।

শীতকালকে সুপারফুডের মৌসুমও বলা হয়ে থাকে কারণ এই সময় বাজারে বিভিন্ন ধরনের শাক সবজি, ফল পাওয়া যায় যা আপনার ইমিউনিটিকে বাড়াতে সাহায্য করে। ভালো পুষ্টিযুক্ত খাবার আপনাকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এবং আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতেও অনেক বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। আপনি এই ঋতুতে ঠান্ডা ও কাশি প্রতিরোধ করতে নিজের প্রতিদিনের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন যেসব খাবার।

রসুন: রসুন প্রায় সব ধরনের রোগ প্রতিরোধে খুব বড় সহায়ক। রসুনে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য এবং অ্যালিসিন নামক একটি যৌগ যা আমাদের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।

হলুদ দুধ: বহুযুগ ধরেই শীত মৌসুমে এই হলুদ দুধ খাওয়ার প্রথা চলে আসছে। সর্দি-কাশির বিরুদ্ধে ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে ব্যবহৃত এই গোল্ডেন মিল্ক খুবই প্রচলিত। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে। আপনি তাৎক্ষণিক ফল পেতে দুধে কালো মরিচ যোগ করতে পারেন।

তুলসী: দেশে ঐতিহ্যগতভাবে তুলসীর ব্যবহার চিরকালের। শীতের মৌসুমে সর্দি কাশি থেকে রেহাই দিতে এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। তুলসি প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী হিসাবে কাজ করে এবং সংক্রমণকে দূরে রাখে।

কাজুবাদাম: শীতকালে আমাদের ইমিউনিটি হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এই সময় আপনার ডায়েটে বাদাম অবশ্যই যোগ করুন। বাদামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। এগুলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক এবং মিনারেল, যা সর্দি এবং কাশির সময় উপকারী।

আমলকি: ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলকিতে রয়েছে চমৎকার রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা। ইমিউনিটি বৃদ্ধিকারী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য এর সুপরিচিতি রয়েছে। আমলকি ইমিউন সিস্টেমের অন্যান্য কোষগুলিকে ভালোভাবে কাজ করতে সাহায্য করে বলে আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তথ্যসূত্র: নিউজ এইটিন
ইউএইচ/





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply