গোল্ডেন বুট হ্যারি ক্যানের, মডরিচের গোল্ডেন বল

|

বিশ্বকাপের ফাইনালে নিজের দল ছিলো না। তবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আছে ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি ক্যানের নাম। এবারের টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে পেয়েছেন গোল্ডেন বুট। ৬টি গোল করেছিলেন তিনি।

আর টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছে রানার আপ ক্রোয়েশিয়ার মিডফিল্ডার লুকা মডরিচ।

দ্বিতীয় ইংলিশম্যান হিসেবে গোল্ডেন বুট অর্জনের কৃতিত্বের অধিকারী হলেন জাতীয় দলের হয়ে ৩০ ম্যাচে ১৯ গোলের মালিক হ্যারি। এর আগে এমন কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন গ্যারি লিনেকার। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে স্বদেশী লিনেকারের মতো হ্যারিও এবারের বিশ্বকাপে সমান ৬ গোল করেছেন।

১৯৮২ থেকে ২০০৬ বিশ্বকাপ পর্যন্ত দেয়া হতো ‘গোল্ডেন সু’। ২০১০ থেকে এর নাম করা হয় ‘গোল্ডেন বুট’। পাশাপাশি দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতার জন্য ‘সিলভার বুট’ এবং ‘ব্রোঞ্জ বুট’ তো রয়েছেই।

১৯৮২ থেকে ধরলে ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপ পর্যন্ত সাত দেশের নয় ফুটবলার লাভ করেছেন ‘সোনার জুতো’। ইতালি ও জার্মানির সর্বাধিক দুজন করে পান গোল্ডেন বুট। ১৯৮২ সালে ইতালির পাওলো রোসি এবং ১৯৯০ সালে সালভাতোর শিলাচি। এছাড়া ১৯৯৪ সালে বুলগেরিয়ার রিস্টো স্টইচকভ, ১৯৯৮ আসরে ক্রোয়েশিয়ার ডেভর সুকর, ২০০২ সালে ব্রাজিলের রোনাল্ডো, ২০০৬ সালে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা, ২০১০ সালে জার্মানির টমাস মুলার, আর সর্বশেষ ২০১৪ সালে গোল্ডেন বুট জিতে চমক দেখিয়েছিলেন কলম্বিয়ার জেমস রড্রিগুয়েজ।

হ্যারি এই বিশ্বকাপে ৬ ম্যাচ খেলে করেছেন ৬ গোল। বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে গ্রুপ ম্যাচে মাঠে নামেননি। তবে অনেকেই সমালোচনা করে বলেছেন হ্যারির গোলগুলোর বেশিরভাগই হয়েছে স্পট কিক থেকে (৩টিই পেনাল্টি থেকে)। ব্যক্তিগত মুন্সিয়ানার গোল ছিল খুবই কম। সেক্ষেত্রে তিনি বেশ সৌভাগ্যের অধিকারী।









Leave a reply