গোল্ডেন বলের দৌড়ে এগিয়ে যারা

|

বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার ‘গোল্ডেন বল’ জয়ের লড়াই জমিয়ে তুলেছেন ফ্রান্সের আতোয়ান গ্রিজম্যান, ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক লুকা মডরিচ ও বেলজিয়াম অধিনায়ক এডেন হ্যাজার্ড। ফিফার টেকনিক্যাল কমিটির প্রাথমিক তালিকা থেকে বিশ্বকাপের অ্যাক্রিডেশন ধারি সংবাদ কর্মীদের ভোটে নির্বাচিত হবে বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলার।

গোল্ডেন বল টুর্নামেন্টে সেরাদের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। রাশিয়ায় নেইমার, রোনালদোদের ছাপিয়ে সেই লড়াইয়ে এগিয়ে এ তিন ফুটবলার।

ফাইনালে উঠে চমক দেয়া ক্রোয়েশিয়ার প্রাণ অধিনায়ক লুকা মডরিচ। পুরো টুর্নামেন্ট তার রেটিং ৭.৬০। দুরপাল্লার গোল, স্পটকিক, কর্নার, ফ্রি কিক সবকিছুতেই পটু মডরিচ টুর্নামেন্টে গোল করেছেন ২টি। করিয়েছেন ১টি। প্রতিপক্ষের ডেরায় শট নিয়েছেন ১০টি।

মাঝ মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আক্রমণ তৈরী করা মডরিচ ৬ ম্যাচে পাস দিয়েছেন ৪৪৩ টি। সফল ছিল ৩৬৮টি। বল দখলের দ্বৈত লড়াই জিতেছেন ৫১ শতাংশ। টুর্নামেন্টের ৬ ম্যাচে কোন কার্ড দেখেননি ক্রোয়াট অধিনায়ক।

ফাইনালে ক্রোয়াটদের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স থেকে সেরা খেলোয়াড় হবার দৌড়ে এগিয়ে আছেন এনগলো কান্তে ও আতোয়ান গ্রিজম্যান। তবে আরও কিছুটা এগিয়ে গ্রিজম্যান। এখন পর্যন্ত পুরো টুর্নামেন্টে তার রেটিং পয়েন্ট ৭.৪৫। টুর্নামেন্টে করেছেন ৩ গোল, করিয়েছেন আরও দুটি। প্রতিপক্ষের গোলে শট নিয়েছেন ১৯টি। ফ্রিকে গোল না পেলেও তার কর্নার কিক থেকে গোল করেছেন ভারান উমতিতিরা। পাস দিয়েছেন ২১৫টি যার মধ্যে সফল ছিল ১৬১। দ্বৈত লড়াই জিতেছেন ৪৯ ভাগ। দেখেননি কোন কার্ডও।

পারফরম্যান্সের বিচারে সবচেয়ে এগিয়ে বেলজিয়াম অধিনায়ক এডেন হ্যাজার্ড। তবে দল সেমি থেকে বাদ পড়ায় কিছুটা পিছিয়ে পড়তে পারেন তিনি। পুরো টুর্নামেন্টে তার রেটিং ঈর্শনীয় ৮.১৬। ৫ ম্যাচে ২ গোল আর দুই অ্যাসিস্ট। আক্রমণ করেছেন ১৫টি। ড্রিবলিংয়ে অনবদ্য হ্যাজার্ড পাস দিয়েছেন ২০৯টি সফল ছিল ১৭৪টি। দ্বৈত লড়াইয়ে অনবদ্য, সফল ৬৯ শতাংশ।

সবকিছু ঠিক থাকলে সেরা উদীয়মান ফুটবলারের পুরস্কার উঠবে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পের হাতে। ১৯ বছর বয়সী এই স্পিডস্টার ৬ ম্যাচে করেছেন ৩ গোল। গোলে শট নিয়েছেন ৬টি যার মধ্যে অন টার্গেট ছিল ৫টি। পাস দিয়েছেন ১৪৩টি।

সেরা গোল রক্ষকের ‘গোল্ডেন গ্লাভস’ পুরস্কার জয়ের লড়াইয়ে এগিয়ে ক্রোয়েশিয়ান কিপার সুবেসিচ। টুর্নামেন্টে ১২টি সেভ করেছেন, সফলাতার হার ৭৫ শতাংশ। শুধু কি তাই দুই টাইব্রেকারের পরীক্ষাতেও পাস ক্রোয়াট কিপার।

আরেক দাবিদার বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো করতোয়া। বিশেষ করে ব্রাজিলের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে অনবদ্য ছিলেন তিনি। এখন পর্যন্ত সেভ করেচেন ২২টি। সফলতার হার ৭৮.৬ শতাংশ।









Leave a reply