বিশ্বকাপে সবচেয়ে কম গোল হজম করেছে মরক্কো

|

ছবি: সংগৃহীত

কাতার বিশ্বকাপে নির্ধারিত সময়ের খেলায় এখনো পর্যন্ত প্রতিপক্ষ কোনো বলই জড়াতে পারেনি মরক্কোর জালে। একমাত্র গোল হজম করেছে আফ্রিকান সিংহরা, সেটিও ছিলো আত্মঘাতী । মরক্কোর শক্তিশালী ডিফেন্স আর আটলাস পর্বত বনে যাওয়া সেভিয়া স্টার গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনোই যে এর পেছনের মূল নায়ক। মরক্কোর শক্তিশালী ডিফেন্স আর আটলাস পর্বত বনে যাওয়া সেভিয়া স্টার গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনোই যে এর পেছনের মূল নায়ক।

রাউন্ড অব সিক্সটিনে স্পেনের বিপক্ষে টাইব্রেকারে দল যখন ২-০ গোলে এগিয়ে ঠিক তখন দলের হয়ে পেনাল্টি নিতে আসেন আশরাফ হাকিমি। তার শটটা স্পেনের জালে জড়াতেই গ্যালারিতে বাঁধভাঙা উল্লাস মরক্কোর সমর্থকদের। কেননা, তার গোলেই স্প্যানিশদের বিদায় ঘণ্টা নিশ্চিত হয়ে যায়। স্পেন কোচ লুইস এনরিকে এতদিন যেটি সবচেয়ে অনুশীলন করিয়েছেন, সেই পেনাল্টি পরীক্ষায় ফেল করে টুর্নামেন্ট থেকেই বিদায় নিয়েছে স্প্যানিশরা।

আটলাস সিংহদের গর্জনে এদিন ভারী হয়ে ওঠে এডুকেশন সিটি স্টেডিয়াম। নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ আটে ওঠে মরক্কো। কোয়ার্টার ফাইনালে পর্তুগালের মুখোমুখি হবে আফ্রিকার এই দলটি। মরক্কোর প্রধান শক্তি তাদের রক্ষণভাগ। এর সাথে গোলরক্ষক চীনের প্রাচীর গড়ে প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগকে প্রতিহত করে যাচ্ছে একের পর এক ম্যাচে।

বিশ্বকাপে একবারই শেষ ষোলোতে খেলেছিলো মরক্কো। ১৯৮৬ সালে রাউন্ড অব সিক্সটিনে জার্মানির কাছে ১-০ গোলে হেরেছিলো তারা। ৩৬ বছর আগে স্বপ্নভঙ্গ হলেও এবার মরুর বুকে ফুল ফুটিয়েছে আশরাফ হাকিমিরা।

গায়ে ছিলো না ফেবারিট তকমা, ইতিহাস কিংবা পরিসংখ্যান কিছুই ছিলো না পক্ষে। তবে, দলে আছে একদল স্বপ্নদ্রষ্টা, ছোট দলের বড় তারকা। মাঠের খেলায় সেরাটা দিয়ে যারা আরো একবার প্রমাণ করেছে একটা শট কিংবা সেভই গড়ে দিতে পারে ম্যাচের ভাগ্য।

/আরআইএম





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply