শিক্ষা অফিসারের সাথে প্রধান শিক্ষক মিলে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ

|

বরিশালের মুলাদি উপজেলার একটি স্কুলে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারের সাথে মিলে প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি-অনিয়মের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। এলাকার বিশিষ্টজনের দেয়া বিবৃতিতে স্কুলটিকে দুর্নীতিমুক্ত করতে স্থানীয় প্রশাসনের উচ্চ মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা বলেন, মুলাদী উপজেলাধীন ১১ নং রামারপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান। কিন্তু বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের ঘুষ, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, জালিয়াতি ও বিধিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের ফলে বিদ্যালয়টি তার সুনাম ও খ্যাতি হারাচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমানে বিদ্যালয়টি কমিটিবিহীন অবস্থায় গত ২-৩ বছর যাবত চলছে। সাবেক প্রধান শিক্ষক সাহেব একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে দিলেও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব সোহেল সাহেব ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাহেব ঐ কমিটির সামান্যতম প্রয়োজন আছে বলে মনে করছেন না এবং কমিটির কোন কার্যক্রম পরিচালনা হতে দিচ্ছেন না।

এছাড়া নানা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। তাতে যোগসাযশ রয়েছে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের। বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, বিদ্যালয়টিতে দুই শতাধিক ছাত্রছাত্রী থাকা সত্ত্বেও সহকারী শিক্ষকের একটি পদ ২০১৭ সালে লক্ষাধিক টাকা ঘুষ গ্রহণ করে শিক্ষা অফিসার সাহেব কর্তন করেন।

বিদ্যালয়টিতে স্লিপ ও প্রি-ওয়ান এর বরাদ্দকৃত ৪৫০০০ টাকার ২০ শতাংশ কাজও হয়নি। সহকারী শিক্ষা অফিসার নিজাম ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোহেল উক্ত টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে বিভিন্ন উপলক্ষে চাঁদা উঠানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।









Leave a reply