পেরিসিচের গোলে অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ

|

ছবি: সংগৃহীত

গ্রুপ পর্বের ধারাবাহিকতা নকআউটে গিয়ে ধরে রাখতে পারেনি জাপান। আগের ম্যাচগুলোয় মূলত দ্বিতীয়ার্ধে বদলি খেলোয়াড়দের উপরই গোলের জন্য নির্ভর করতো ব্লু সামুরাইরা। তবে দ্বিতীয় পর্বে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধে গোল পেয়ে দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণ সামলেই ব্যস্ত থাকতে হয়েছে তাদের। ইভান পেরিসিচের গোলে ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে গেছে লুকা মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া।

মায়দার গোলে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার স্বপ্ন উজ্জ্বল করে জাপান। ম্যাচের ৪৩ মিনিটের মায়দার গোলে ১-০ গোলের লিড নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করেছে ব্লু সামুরাইরা।

ম্যাচের ৪১ মিনিটে গোলপোস্টের বামপ্রান্তে টাচলাইনের কাছে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়েছিলেন কামাচো। কিন্তু তার শট চলে যায় বার ঘেঁষে বাইরে। তবে গোলের জন্য এরপর খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি ব্লু সামুরাইদের। দোয়ানের করা শর্ট কর্নার থেকে বল পান মোরিতো। তার শট ক্রোয়াট রক্ষণে বাধা পেয়ে আবার আসে মোরিতোর কাছে। দূরের প্রান্তে বাঁকানো ক্রস বাড়ান মোরিতো। সেখানে ইয়োশিদার বল চলে আসে গোলপোস্টের সামনে দাঁড়ানো মায়দার কাছে। সেখান থেকে ক্রোয়াট গোলরক্ষক ডমিনিক লিভাকোভচকে পরাস্ত করতে ভুল করেননি মায়দা।

দ্বিতীয়ার্ধে ইভান পেরিসিচের দারুণ হেডারে ম্যাচে ফিরে আসে ক্রোয়েশিয়া। জাপানের গোলমুখে একের পর একে আক্রমণের ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ৫৫ মিনিটে ক্রোয়াট সেন্টার ব্যাক ডেজান লভরেন ডি বক্সে ক্রস করেন। পেরিসিচের জোরালো হেডারে বামপাশে লাফিয়েও জাপানকে সে যাত্রা বাঁচাতে পারেননি গোনদা।

এই গোলের পর ছন্দ ধরে রেখে জাপান রক্ষণে আক্রমণ চালিয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া। মদ্রিচ-ব্রোজোভিচদের প্রেসিংয়ে বল দখল এবং পেরিসিচের আগুনে শটে ম্যাচের ৬৭ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো ক্রোয়াটরা। তবে সময়মতো বলে পায়ের স্পর্শ লাগিয়ে ক্রোয়েশিয়াকে গোল বঞ্চিত করেন তোমিয়াসু। দুই দলই বেশ কিছু বদলি খেলোয়াড় নামিয়েও নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় নিরঙ্কুশ সাফল্য পায়নি। বল দখল ও আক্রমণে দুই দল অনেকটাই ছিল সমতায়।

/এম ই





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply