কাতার বিশ্বকাপে পর্যটকদের মাতাচ্ছে উট

|

মরুভূমিতে গিয়ে উট সাওয়ারি হবে না, তা কী হয়? বিশ্বকাপ উপভোগে কাতারে ভিড় করা ফুটবল ভক্তদেরও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে মরুর এই প্রাচীন ঐতিহ্য। রোমাঞ্চ ছড়াচ্ছে উটের পিঠে চড়ে মরুভূমি বিচরণ। পর্যটকদের অতিরিক্ত চাপে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছেন মালিকরা। তবে সব ছাপিয়ে স্থানীয়রা উপভোগ করছেন মরুর জাহাজ নিয়ে ভিনদেশিদের উন্মাদনা। খবর হাফিংটন পোস্টের।

শারীরিক বৈশিষ্ট্যের কারণে চরম ভাবাপন্ন এই অঞ্চলে উটের রয়েছে আলাদা কদর। আর কাতার বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে প্রাণীটির কদর বেড়েছে কয়েকগুণ। পর্যটক আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে উটের পিঠে চড়ে মরুর সৌন্দর্য উপভোগ করা। ছবি তুলে, ভিডিও বানিয়ে ধরে রাখছেন স্মৃতি।

মরুর বুকে উপভোগ করা এক পর্যটক বলেন, এই ধরনের রোমাঞ্চকর বিষয়গুলো আমাকে খুব টানে। উটে চড়ে মরুভূমিতে ভ্রমণ করে অন্য রকম এক অভিজ্ঞতা হলো। কাতার আসলেই পর্যটকবান্ধব একটি দেশ।

আরেকজন বলেন, সত্যি বলতে রাজকীয় একটা অনুভূতি কাজ করছে। খুব ভালো লাগছে। আরও কিছুক্ষণ চড়তে ইচ্ছা করছে।

প্রতিদিনই উটে চড়তে ভিড় করছেন বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা। খেলার টিকিট পাওয়ার মতোই রীতিমতো লাইন ধরে দাঁড়াতে হচ্ছে ভ্রমণপ্রিয় এই মানুষদের। তবে ব্যবসা জমে ওঠায় খুশি উট মালিকরা। বললেন, উট আরবের প্রাচীন ঐতিহ্য। তাই কাতার এসে সবাই আগে উটে চড়তে চায়। এখন আমাদের ৬০টি উট আছে। তাও চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। উটগুলোও বিশ্রাম পাচ্ছ না। তারপরও চেষ্টা করছি সবাইকে খুশি করার। সাথে মরুভূমি আর উটের অভিজ্ঞতা দেয়ার।

কেবল পিঠে চড়িয়ে আনন্দ দেয়া না, পাশাপাশি খেলার ভবিষ্যদ্বাণী করেও কাতার বিশ্বকাপে রোমাঞ্চ ছড়াচ্ছে উট।
পর্যটন খাতকে চাঙ্গা করতে সম্প্রতি উদ্যোগ নিয়েছে কাতার সরকার। ২০৩০ সাল নাগাদ বছরে ৬০ লাখ বিদেশি পর্যটক দেশটিতে ভ্রমণ করবে, এমন লক্ষ্য দেশটির। তবে বিশ্বকাপের এ আয়োজন সেই গতিকে বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুণ, এমনটা মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

/এমএন





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply