ফুটবল মাঠ ও সুইমিংপুল বিশিষ্ট বাংলো; কিম কন্যার বিলাসবহুল জীবন নিয়ে জানা গেলো যেসব তথ্য

|

ছবি: সংগৃহীত।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মেয়ের ছবি প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আসে গত সপ্তাহে। তাব তার নাম বা বিস্তারিত কিছুই সামনে আসেনি তখন। এবার এ নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্ট। সেখানে কিম কন্যার পরিচয় সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য উঠে এসেছে। একই সাথে তার ব্যাপক বিলাসবহুল জীবনযাপনের নজিরও তুলে ধরেছে এই সংবাদমাধ্যম। খবর এনডিটিভির।

গত ১৯ নভেম্বর ক্যামেরার সামনে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আসে কিম জং উনের মেয়ে। বাবার হাত ধরে দেশটির সর্ববৃহৎ ব্যালিস্টিক মিসাইল উদ্বোধনে অংশ নেয় সে। সাথে ছিলেন কিম পত্নী রি সোল জু’ও। ধারণা করা হচ্ছে, মেয়েকে এভাবে জনসম্মুখে আনার অর্থ হলো, ভবিষ্যতে তাকেই উত্তর কোরিয়ার হাল ধরতে প্রস্তুত করছেন কিম জং উন।

নিউ ইয়র্ক পোস্ট এ নিয়ে উত্তর কোরিয়ার একাধিক বিশ্লেষকদের সাথে কথা বলেছে। তাদের দেয়া তথ্য মতে, কিম কন্যার নাম জু এ, বয়স ৯ বছর। কাংওন প্রদেশে সমুদ্রতীরে একটি বিশাল বাংলোতে বসবাস করে জু।

জানা গেছে, ফ্লোরিডায় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্পের মালিকানাধীন বিলাসবহুল রিসোর্ট মার-এ-লোগোর মতোই একটা গোটা বাংলোতে থাকে নয় বছর বয়সী এই শিশুকন্যা। যেহেতু কিম জং উনের পরিবারকে কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখতে হয়, তাই সচরাচর বাইরে বের হতে পারে না জু। তাই তার জন্যই কাংওনের ওই বাংলোতে বিশালাকারের সুইমিংপুলসহ টেনিস কোর্ট, একটা গোটা ফুটবল মাঠ, ওয়াটার স্লাইড ও খেলার স্টেডিয়ামের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তথ্য বলছে, উত্তর কোরিয়া জুড়ে কিম পরিবারের মোট ১৫টি বিলাসবহুল বাংলো রয়েছে, যেখানে তার পরিবারের বাকি সদস্যদের বাস। বাংলোগুলোতে তারা গোপন একটি আন্ডারগ্রাউন্ড টানেলের মাধ্যমে বিশেষ ট্রেনে করে যাতায়াত করেন। এর মাধ্যমে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার নজরদারি থেকে কিম পরিবার সবসময়ই আড়ালে থাকতে পারে।

উত্তর কোরিয়া বিশেষজ্ঞ মাইকেল ম্যাডেন কিম কন্যা প্রসঙ্গে বলেন, জু খুবই সুন্দর ও আরামদায়ক জীবনযাপন করে। সে এবং তার বাকি ভাই-বোনদের দেখাশোনার জন্য একাধিক দক্ষ আয়া রাখা হয়েছে। অবশ্য তারা তাদের বাবা-মায়ের সাথেও অনেকটা সময় কাটাতে পারে।

কিম জং উনের বাবা কিম জং ইলও তার সন্তানদের প্রতি খুবই যত্নশীল ছিলেন। তারই প্রতিচ্ছবি দেখা গেছে বর্তমান উত্তর কোরিয়া নেতার মধ্যেও। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিদেশি তাবড় গোয়েন্দা সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে এতো বছর ধরে তিনি তার পরিবারের সদস্যদের গোপন ও নিরাপদ রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

এসজেড/





সম্পর্কিত আরও পড়ুন







Leave a reply