স্বাগতিক রাশিয়ার মুখোমুখি ফেবারিট ক্রোয়েশিয়া

|

স্বাগতিক রাশিয়ার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আজ মাঠে নামবে ক্রোয়েশিয়া। বিশ্বকাপে এবারই প্রথম মুখোমুখি হবে ইউরোপের এই দুই পরাশক্তি। বাংলাদেশ সময় খেলাটি সোচির ফিস্ট স্টেডিয়ামে রাত ১২ টায় অনুষ্ঠিত হবে।

ল্যাটকো ড্যালিচের ক্রোয়েশিয়া দলটি কেমন, তার সবচেয়ে ভাল উত্তর গ্রুপ পর্বে তাদের কাছে আর্জেন্টিনার তিন গোলের ভরাডুবি।

যে দলের ২২ জনের ১৬ জনই খেলে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগ-ইংলিশ, স্প্যানিশ, জার্মান, ইতালিয়ান আর ফ্রেঞ্চ লিগে তাদের দলটি যে ওজনদার হবে সেটি নিশ্চিত। কিন্তু, যদি শোনেন রাশিয়া দলের ২০ জনই খেলে রাশান লিগে, যেটি আবার ইউরোপের মাঝারি মানের একটি লিগ-তখন পার্থক্য করা সহজ।

কিন্তু এই রাশিয়া তো ভাগ্যকে সঙ্গী করে স্পেনকেও হারিয়েছে। আর তাইতো দারুণ আশাবাদী আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়ার ১৫ কোটি মানুষ। ভিয়ারিয়ালে খেলা চেরিশেভ এখন নতুন তারকা দেশটিতে। স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে পুরো দলকে জীবন দিয়ে লড়তে বলেছিলেন দলটির কোচ স্ট্যানিস্লাভ চেরশেভ। এবারো কথার নড়চড় হচ্ছে না।

রাশিয়া কোচ স্ট্যানিস্লাভ চেরচেশভ, ‘আমরা ক্রোয়েশিয়ার কোন নির্দিষ্ট খেলোয়াড়কে লক্ষ্য করে এগুচ্ছি না। দলগতভাবে তাদের আটকানোটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। তারা খুব উন্নতমানের ফুটবল খেলে। তাদের মত দলের বিপক্ষে অনেক ভেবে চিন্তেই প্ল্যান করতে হবে।’

রাশিয়ার মত ভাগ্যের সাহায্য নিতে হয়েছে ক্রোয়েশিয়াকেও। অন্তত দ্বিতীয় রাউন্ডে তাদের গোলরক্ষক ড্যানিয়েল সুবাচিচ তাদের ধরে রেখেছেন বিশ্বকাপে। দলটির লিভারপুল ডিফেন্ডার দেজান লভরেনের মূল কাজ হবে বিশ্বকাপে তিন গোল করা প্রতিপক্ষ স্টাইকার আরতেম যুবাকে আটকে রাখা। তবে কোচ ল্যাটকো ড্যালিচ চান য়্যুভেন্টাস স্ট্রাইকার মানজুকিচ যেন সেরা ছন্দে ফিরে আসেন।

ক্রোয়েশিয়া মিডফিল্ডার ইভান রাকিটিচ বলেন, ‘আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমরা এখন কোয়ার্টার ফাইনালে আছি। আমাদের প্রতিপক্ষ কে, তা নিয়ে মোটেও ভাবছি না। আমরা প্রতিটি মুহুর্ত উপভোগ করতে মাঠে নামবো। নিজেদের স্বাভাবিক খেলা খেলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে চাই আমরা।’

বিশ্বকাপ মানেই স্বাগতিকদের সেমিফাইনালে খেলা। গত পাঁচ বিশ্বকাপের চারটিতেই স্বাগতিকরা সেমিফাইনালে খেলেছে। সেই ধারাবাহিকতায় সোচির ফিস্ট স্টেডিয়াম রাশিয়াকে উপহার দিতে পারে দেশটির ফুটবল ইতিহাসের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল। তবে সেটি হতে হলে, নিশ্চিতভাবেই ক্রোয়েশিয়ার একটি খারাপ দিনের প্রার্থনাও করতে হবে।









Leave a reply