পরিসংখ্যান বদলে দিতে পারেন হ্যারি কেইন!

|

কোয়ার্টার ফাইনালে তৃতীয় ম্যাচে সুইডেনের বিপক্ষে ফেভারিট ইংল্যান্ড। তবে পরিসংখ্যান বলছে লড়াই হবে সমানে সমান। দু দলের ২৩ মোকাবেলায় ৭টি করে জয় দু দলের। বিশ্বকাপের দুই দেখায় জয় পায়নি কেউই।

তবে বড় টুর্নামেন্ট ৬ দেখায় দুই জয় সুইডেনের আর ১ জয় ইংল্যান্ডের। তবে এর সবই ভেস্তে দিতে পারেন এক হেরি কেইন। তবে ইংলিশদের কঠিন পরিক্ষা নিতে প্রস্তুত সুইডেন অধিনায়ক আন্দ্রেয়াস গ্রাঙ্কভিস্ত।

এদিকে কাগজ কলমের শক্তি আর সামর্থে সুইডেনের চেয়ে এগিয়ে ইংল্যান্ড। ফিফা রেঙ্কিংয়ে ১২ নম্বরে ইংলিশরা আর সুইডিশদের অবস্থান ২৪তম।

তবে মুখোমুখি লড়াইয়ে কিন্তু সমানে সমান দু দল। এখন পর্যন্ত সব ধরনের ম্যাচে ২৩ বারের দেখায় সমান ৭টি করে জয় দু দলের। তবে বড় কোন টুর্নামেন্টে মাত্র এক জয় ইংল্যান্ডের।

এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে দুই দফা দেখা হয়েছে ইংল্যান্ড ও সুইডেনের। দুটি ম্যাচই ড্র হয়েছে। ২০০২ এ ১-১ আর ২০০৬ বিশ্বকাপের ম্যাচ ড্র হয়েছে ২-২ গোলে।

ইউরোতে দু দলের দেখা হয়েছে চারবার। যেখানে সুইডেন জিতেছে ২টি, ড্র করেছে একটি আর এক জয় ইংলিশদের।

দু দলের ১৫ প্রীতি ম্যাচে জয়ের বিচারে একটু এগিয়ে ইংল্যান্ড। থ্রি লায়ন্সদের ৬ জয়ের বিপরীতে ৫ জয় সুইডিশদের।

তবে সব পরিসংখ্যান বদলে দিতে পারেন এক হ্যারি কেইন। নিশ্চিত ভাবে অধিনায়ক কেইন কোয়ার্টার ফাইনালে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন দলকে। তিন ম্যাচে ৬ গোল করা এই স্ট্রাইকার নিশ্চিত ভাবে ইংল্যান্ডের স্পটলাইটে।

গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচে দুই জয় আর শেষ ষোলতে কলম্বিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজেদের প্রথম টাইব্রেকার জিতে আত্মবিশ্বাসী সাউথগেট শিষ্যরা।

অন্যদিকে গ্রুপ পর্বে জার্মানিকে পেছনে ফেলে নকআউট পর্বে ওঠে বিশ্বকে চমকে দিয়েছে সুইডেন। উচ্চাভিলাষী না হয়ে নিজেদের সেরা শক্তির জায়গা অনুযায়ী গেম প্ল্যান সাজিয়ে খেলছে দলটি। ইংল্যান্ডের মতই টুর্নামেন্ট এখন পর্যন্ত তিন জয় তাদের। দলের বড় ভরসা অধিনায়ক আন্দ্রেয়াস গ্রাঙ্কভিস্ত। রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি নিখুঁত পেনাল্টি নিতেও পটু এই ডিফেন্ডার সুসংহত করেছে সুইডেনকে।

এখন পর্যন্ত রাশিয়ায় চার ম্যাচ খেলে ৬ গোল করেছে সুইডেন আর ৯বার প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়েছে ইংল্যান্ড।
সুইডিশদের ১৭ অন টার্গেট শটের বিপরীতে হ্যারি কেইনরা নিয়েছে ১৯ শট। বল পজেশন আর পাসিংয়ের দিক থেকেও এগিয়ে ইংল্যান্ড। তবে সুইডেনের দুই গোলের বিপরীতে ৪ গোল খেয়েছে ইংল্যান্ড।









Leave a reply